ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
ঢামেক
আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাস বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দিলেও আন্দোলন স্থগিত কিংবা কলেজ ত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেননি শিক্ষার্থীরা। তারা জানিয়েছেন, একতরফা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে এবং তারা হল ছাড়বেন না।
শনিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় ঢামেক কর্তৃপক্ষ ক্যাম্পাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে এবং শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানান, তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও মিছিল করেন। বিকেলে কলেজ প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২২ জুন দুপুর ১২টার মধ্যে সব শিক্ষার্থীকে হল ছাড়তে হবে।
তৌহিদুল আবেদীন তানভীর নামক এক শিক্ষার্থী বলেন, "মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা হল ত্যাগ করছি না। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে একতরফাভাবে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ করে আমাদের হল থেকে বের করে দিতে চাওয়া সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছি, এটি অন্যায় নয়।"
ওই শিক্ষার্থী আরও বলেন, "পরিত্যক্ত ভবনে জীবন ঝুঁকি নিয়ে থাকলেও সেটার বিকল্প ব্যবস্থা না করে উল্টো আন্দোলন দমন করতে প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এটা মেনে নিচ্ছি না। শান্তিপূর্ণভাবে হলে অবস্থান চালিয়ে যাব এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচিও চলবে।"
ঢাকা মেডিকেল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করায় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। যারা বাড়ি থেকে অনেক দূরে থেকে পড়াশোনা করছেন, তারা জানাচ্ছেন, এখন হলে থাকতে না পারলে কোথায় যাবেন তা তারা জানেন না।
এ বিষয়ে এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, "বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই হলে তালা দেওয়ার নির্দেশ মানে আমাদের নিরাপত্তা ও শিক্ষা উভয়কেই হুমকির মুখে ফেলে দেওয়া। আমরা আন্দোলনে আছি এবং থাকব।"
এর আগে দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘কলেজের চলমান অচলাবস্থা নিরসনের জন্য আগামী ২২ জুন ২০২৫ থেকে একাডেমিক কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো। সব ছাত্রছাত্রীকে দুপুর ১২টার মধ্যে হোস্টেল ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তবে ওই নির্দেশনায় পেশাগত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের এই নির্দেশনার বাইরে রাখা হয়েছে।
হোস্টেল ত্যাগের নির্দেশ অগ্রাহ্য করে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তারা তাদের পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তাদের ভাষ্যে, শুধু আবাসনের সমস্যা নয়, নিরাপদ ও উপযোগী শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার কোনও সুযোগ নেই।
তাদের মূল দাবিগুলো হলো—
১. দ্রুত নতুন ছাত্রাবাস ও ছাত্রীনিবাসের জন্য বাজেট পাস করা,২. নতুন ভবন চালু না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা,৩. নতুন একাডেমিক ভবনের জন্য বাজেট অনুমোদন,৪. পৃথক বাজেট বরাদ্দ ও দ্রুত বাস্তবায়ন পরিকল্পনা গ্রহণ,৫. শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- মাস্টারদা সূর্য সেন হল অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি ডাবলু, সাধারণ সম্পাদক পলাশ
- আফগান যুবাদের কাছে হারল বাংলাদেশের যুবারা
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মাহমুদ আলমের মৃত্যু, উপাচার্যের শোক
- সৌদিতে সুইটির মৃ/ত্যুদণ্ড, এখনো জানে না পরিবার
- যুক্তরাষ্ট্রের ডিভি লটারিতে বাংলাদেশিরা কি অংশ নিতে পারবে? জানুন বিস্তারিত
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম কত? জেনে নিন
- জেনে নিন আজকের বাজারে ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- নভেম্বরে টানা তিন দিনের ছুটির সুযোগ, যারা পাবেন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ অক্টোবর)
- ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা: ঢাবির সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
- নতুন পে-স্কেলে শিক্ষকদের বেতন কবে, জানাল অর্থ মন্ত্রণালয়
- আজ ২২,২১ ও ১৮ ক্যারেট সোনার দাম কত? জেনে নিন
- COP31 সামনে রেখে বাংলাদেশের জলবায়ু অগ্রাধিকার নিয়ে সংলাপ