ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
নতুন যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইসরায়েলের, আছে যেসব শর্ত
ডুয়া ডেস্ক: গাজা উপত্যকায় হামাসের হাতে জিম্মি হয়ে থাকা ইসরায়েলিদের মুক্তির লক্ষ্যে ৪৫ দিনের একটি নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে ইসরায়েল। গত ১৪ এপ্রিল মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর ও কাতারের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি হামাসের কাছে পৌঁছানো হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েলের এই নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবনার একটি অনুলিপি তারা হাতে পেয়েছে। সেটি বিশ্লেষণ করে সংস্থাটি জানিয়েছে প্রস্তাবনায় পাঁচটি মূল বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
ক) প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতির প্রথম সপ্তাহে গাজায় বন্দি অবশিষ্ট জিম্মিদের মধ্যে থেকে ১০ জনকে মুক্তি দেবে হামাস, তার পরিবর্তে ইসরায়েলের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে থেকে ১২০ জনকে মুক্তি দেবে দেশটির সরকার।
খ) ইসরায়েলি বাহিনী আর গাজা উপত্যকার সব জায়গায় বিচরণ করবে না বরং ১৯ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতির আগে গাজার যেসব অঞ্চলে ছাউনি করা হয়েছিল করা হয়েছিল, সেসব ছাউনিতে অবস্থান করবে সেনারা। এছাড়া বিরতি চলাকালে উত্তর ও দক্ষিণ গাজার মধ্যে চলাচলের জন্য নেতজারিম করিডোর ব্যবহার করতে পারবেন ফিলিস্তিনিরা।
গ) গাজায় ফের ত্রাণবাহী ট্রাকের প্রবেশ এবং বাসভবন ও অবকাঠামো পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে।
ঘ) গাজায় যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার জন্য তিন মধ্যস্থতাকারী দেশ মিসর, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হবে।
ঙ) হামাসকে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ পরিত্যাগ করতে হবে এবং গাজায় বর্তমানে কত জন জিম্মি জীবত বা মৃত অবস্থায় আছে, তার সঠিক তথ্য প্রমাণসহ উপস্থাপন করতে হবে।
ইসরায়েলের একটি নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব হামাসের কাছে পাঠানো হয়েছে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে। এই প্রস্তাব বর্তমানে পর্যালোচনা করছে গাজা শাসনকারী সশস্ত্র সংগঠন হামাস। তবে প্রস্তাবে হামাসকে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিত্যাগ করার যে শর্ত দেওয়া হয়েছে সেটি প্রত্যাখ্যান করেছেন গোষ্ঠীটির নেতারা।
এর আগে হামাসও একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল, যেখানে তারা ইসরায়েলি সেনা গাজা থেকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে নেওয়ার শর্তে বন্দি ইসরায়েলি নাগরিকদের মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। তবে নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এনে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারে সম্মতি দেয়নি।
বুধবার (১৬ এপ্রিল) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, গাজার কিছু এলাকাকে ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করে সেখানে ইসরায়েলি সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন থাকবে, যাতে ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
মধ্যস্থতাকারীরা আশাবাদী যে, হামাস দ্রুত এই নতুন প্রস্তাবের বিষয়ে সাড়া দেবে। মিসরের এক সরকারি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন হামাস এখন সময়ের গুরুত্ব বুঝতে পারছে এবং তারা আশা করছেন, গোষ্ঠীটি দ্রুতই প্রতিক্রিয়া জানাবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- ফের বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ল
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ