ঢাকা, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
সিভি তৈরির সময় যে ভুলগুলো করবেন না
ডুয়া ডেস্ক: চাকরির বাজারে একজন প্রার্থীর সঙ্গে নিয়োগকর্তার প্রথম পরিচয় ঘটে অনেক সময় তাঁর সিভির মাধ্যমে। সেখানে প্রার্থীর যোগ্যতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় পাওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডিংয়েরও প্রতিফলন ঘটে। তাই বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ করপোরেট বিশ্বে একটি আকর্ষণীয় ও পেশাদার সিভি কেবল তথ্যের তালিকা নয়, চাকরিপ্রার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্রও।
গবেষণায় দেখা গেছে, একটি সিভিতে নিয়োগকর্তা বা রিক্রুটার সাধারণত মাত্র ৬ থেকে ৮ সেকেন্ড চোখ বোলান। এই অল্প সময়েই প্রার্থীকে ইন্টারভিউয়ের জন্য বিবেচনা করা হবে, নাকি সিভিটি বাদ পড়বে সে বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়ে যেতে পারে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও সিভি তৈরির কিছু সাধারণ ভুলের কারণে অনেক প্রার্থী শুরুতেই বাদ পড়েন। তাই সিভি তৈরির সময় কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলা জরুরি, তা জানা প্রয়োজন।
বানান ভুলে নেতিবাচক প্রভাব
সিভিতে বানান ও ব্যাকরণগত ভুল থাকলে তা প্রার্থীর পেশাদার ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকে দু-একটি বানান ভুলকে গুরুত্ব না দিলেও একটি ছোট ভুলও নিজের কাজের প্রতি অসতর্কতার ইঙ্গিত দিতে পারে। সঠিক বানান, যথাযথ বিরামচিহ্ন ও ব্যাকরণের ব্যবহার প্রার্থীর আত্মবিশ্বাস ও পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করে।
ভুল যোগাযোগের তথ্য
সিভিতে দেওয়া ফোন নম্বর বা ইমেইল ঠিকানা ভুল হলে নিয়োগকর্তার পক্ষে প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে না। এর ফলে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ইন্টারভিউয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
চাকরির বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকা
বড় অনেক প্রতিষ্ঠান সিভি বাছাইয়ের জন্য Applicant Tracking System (ATS) ব্যবহার করে। চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট দক্ষতা ও কিওয়ার্ড চাওয়া থাকলে সেগুলো সিভিতে না থাকায় সফটওয়্যার পর্যায়েই আবেদনটি বাদ পড়তে পারে।
মিথ্যা তথ্য দেওয়া
অভিজ্ঞতার বছর, পদের নাম কিংবা শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে ভুল বা বানোয়াট তথ্য দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। ব্যাকগ্রাউন্ড চেকের সময় এসব তথ্য ধরা পড়লে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
অস্পষ্ট ও উদ্দেশ্যহীন অবজেক্টিভ
‘আমি একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে কঠোর পরিশ্রম করতে চাই...’ এ ধরনের সাধারণ ও কপি-পেস্ট করা অবজেক্টিভ নিয়োগকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে না। সিভিতে প্রার্থীর মূল লক্ষ্য ও যোগ্যতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা না হলে শুরুতেই সেটি বাদ পড়তে পারে।
অগোছালো ফরম্যাটিং
হিজিবিজি ফন্ট, অতিরিক্ত রঙ কিংবা এলোমেলো মার্জিন সিভির পাঠযোগ্যতা কমিয়ে দেয়। নিয়োগকর্তারা একটি সিভি দেখার জন্য মাত্র ৬ থেকে ৭ সেকেন্ড সময় নেন। এই সময়ের মধ্যে লেখা পড়তে অসুবিধা হলে সিভিটি বাতিলের তালিকায় চলে যেতে পারে।
তথ্য ক্রমানুসারে না সাজানো
সিভিতে সর্বশেষ কর্মসংস্থান বা শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য সবার ওপরে রাখা উচিত। পুরোনো তথ্য আগে এবং সাম্প্রতিক তথ্য পরে দিলে নিয়োগকর্তার পক্ষে প্রার্থীর বর্তমান অবস্থা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।
অপ্রাসঙ্গিক ছবি ব্যবহার
সিভিতে সেলফি, ক্রপ করা ক্যাজুয়াল ছবি কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ছবি ব্যবহার করলে পেশাদারিত্বের ঘাটতি প্রকাশ পেতে পারে। এ ধরনের ছবি ব্যবহারের কারণেও ইন্টারভিউয়ের সুযোগ থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- মব হেনস্তার প্রতিবাদে ঢাবির ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রত্যাখ্যান তাহসিনের
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ