ঢাকা, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
জুলাইয়ের শহীদদের গল্প গণমাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে না: ব্যারিস্টার ফুয়াদ
নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গণহত্যার বিচার কেবল আদালতের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তার মতে, বিচারিক প্রক্রিয়ার পাশাপাশি জনমত গড়ে তোলা, গণশুনানির আয়োজন এবং শহীদদের গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরা জরুরি। অন্যথায় বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও দুর্বল করার অপচেষ্টা সফল হতে পারে।
বুধবার (৮ জুলাই) ১১ দলীয় জোট আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার ও আমাদের দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা এমন এক দেশে বাস করি, যেখানে বিচারের জন্য আবার আলাদা কর্মসূচি করতে হয়। এর চেয়ে বড় ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে? রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্বই হচ্ছে নাগরিককে বিচার নিশ্চিত করা। বিচার চাইতে হয় প্রজাদের, নাগরিকদের নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের মৌলিক প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা যে রাষ্ট্রকে রিপাবলিক বলছি, সেটি আদৌ নাগরিক রাষ্ট্র কি না। যদি সংবিধান আমাদের প্রকৃত নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিত, তাহলে বিচারের দাবিতে জেলা-উপজেলা কিংবা জাতীয় পর্যায়ে কর্মসূচি করতে হতো না। জুলাই গণহত্যার ক্ষেত্রে দুই ধরনের বিচার প্রয়োজন। একটি হলো, যেসব ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাদের বিচার। অন্যটি হলো, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার। এখন বলা হচ্ছে, আওয়ামী লীগের লাখ লাখ কর্মী তো খুন করেনি, তাহলে দল হিসেবে কেন বিচার হবে? এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে বিচারিক প্রক্রিয়াকেই প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি, কংগ্রেসের আদলে একটি গণশুনানির আয়োজন করা হোক। সেখানে সব রাজনৈতিক দল, মানবাধিকারকর্মী, আইনজীবী এবং শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুনানি হবে। বিটিভিসহ সব টেলিভিশনে তা সরাসরি সম্প্রচার করতে হবে, যাতে মানুষ জানতে পারে জুলাইয়ে কী ঘটেছিল।’
জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের গল্প গণমাধ্যমে পর্যাপ্তভাবে তুলে ধরা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন এবি পার্টির মহাসচিব।
তিনি বলেন, ‘১ হাজার ৪০০ শহীদের কোনো জীবনী নেই, তাদের গল্প মানুষের সামনে আসছে না। অথচ অন্য বিষয় নিয়ে প্রতিদিন টকশো হচ্ছে। এতে করে ধীরে ধীরে আমাদের সম্মিলিত স্মৃতি থেকে জুলাইকে মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কালচারাল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে শুধু বিচারিক প্রক্রিয়া দিয়ে ফ্যাসিবাদের মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। তাই বিচার, সংস্কৃতি ও জনমত এই তিন জায়গায় একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।’
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নোগ্রাফি মামলায় ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেফতার
- লন্ডনে ঢাবি অ্যালামনাই ইউকের কোচ ট্রিপ অনুষ্ঠিত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মাইগ্রেশনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ জয়ী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- বিইউপিতে ২৯ পদে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ
- খণ্ডকালীন শিক্ষক নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন আবেদনপদ্ধতি
- নতুন পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, যেভাবে বাস্তবায়ন হবে বেতন-ভাতা
- চালুর প্রথম দিনেই দুর্ঘটনায় পিংক বাস
- নোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষকের বেতন বন্ধ
- দিনে তিনবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট দেখার নির্দেশ
- নারীদের চোখে পুরুষের যে ৫ শখ বেশি আকর্ষণীয়
- জানুয়ারিতে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন
- শিক্ষকদের পদোন্নতি পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে দেওয়া হবে: ববি হাজ্জাজ
- শুরু হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন
- প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের ভাইভা নিয়ে যা জানা গেল