ঢাকা, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩

ঢাবি নিয়ে মন্তব্য, ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার আইনি নোটিশ

২০২৬ জুলাই ০৪ ১৯:২৫:৪৯

ঢাবি নিয়ে মন্তব্য, ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার আইনি নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‘বাংলাদেশের সব ফ্যাসিস্ট, টাউট ও ক্রিমিনাল তৈরি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’—এমন বক্তব্যের জেরে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তনয় কুমার সাহা গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ই-মেইলযোগে এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, ব্যারিস্টার ফুয়াদকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (৪ জুলাই) জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী তনয় কুমার সাহা।

লিগ্যাল নোটিশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে বিবাদী করা হয়েছে।

নোটিশে অভিযোগ করা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অবমাননাকর, বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর মন্তব্যের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। এ কারণে ব্যারিস্টার ফুয়াদের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক খ্যাতি ও সুনাম ক্ষুণ্ন করার দায়ে দৃষ্টান্তমূলক ও শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০০ কোটি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে জমা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ১ জুলাই ঢাকসু কার্যালয়ে আয়োজিত ‘বাঙালি মুসলমানের জাগরণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও অনুষদ সদস্যদের সম্পর্কে অত্যন্ত অবমাননাকর, মানহানিকর এবং বিদ্বেষপূর্ণ মন্তব্য করেন।

নোটিশে আরও বলা হয়, এ ধরনের বক্তব্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি, খ্যাতি ও সুনামকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একই সঙ্গে লাখো প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর মানসিক কষ্ট ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

লিগ্যাল নোটিশে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। প্রথমত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার ঘটনায় ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, ১ জুলাই দেওয়া অবমাননাকর বক্তব্য নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার দায়ে ১০০ কোটি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা তহবিলে জমা দিতে হবে, যা একাডেমিক উন্নয়ন ও জাতীয় সমৃদ্ধির কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ জুলাই)


আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ জুলাই)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বর্ণের বাজারে ফের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের ফলে শনিবার থেকে নতুন... বিস্তারিত