ঢাকা, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দিলেন ২০২৬ সালের ১০০ পরীক্ষার্থী
নিজস্ব প্রতিবেদক: জামালপুরে ২০২৬ সালের পরীক্ষার্থীদের একটি কক্ষে ভুলবশত ২০২৫ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রের ৪২০২ নম্বর কক্ষে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে। ওই কক্ষের ১০০ জন পরীক্ষার্থীই সরকারি জাহেদা সফির মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী।
পরীক্ষার্থী তিলা জামালি বলেন, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তিনি লক্ষ্য করেন, তার প্রশ্নপত্রে ২০২৫ সালের সিলেবাসের কথা লেখা রয়েছে। এতে তিনি বুঝতে পারেন, এটি তাদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্র নয়।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা দেওয়া শেষে আমি দেখতে পেলাম- আমার প্রশ্নে লেখা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী। তার মানে এই প্রশ্ন আমাদের না। পরে অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয় কলেজ থেকে। আমি ২ বছর ধরে এই ৩ ঘণ্টার জন্য প্রিপারেশন নিয়েছি। তাদের একটি ভুলের কারনে যে আমার এ-প্লাস মিস হবে। মিস নাও হওয়ারই বা নিশ্চয়তা কি।’
আরেক পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান বলেন, ‘সারা বাংলাদেশ একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। আমরা ১০০ জন অন্য একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিলাম। এখন আমার পরীক্ষা কেমন হয়েছে, সেটি আর বিষয় না। আমরা এখন পাস করবো নাকি ফেল করবো সেটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। পাস করলেও এ-প্লাস আসবে কিনা সেটি জানি না।’
এ বিষয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ মীর শওকত আলম মীর বলেন, কেন্দ্রে আসা প্রশ্নপত্রের প্রতিটি বান্ডেলে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র উল্লেখ ছিল। ৪২০২ নম্বর কক্ষের জন্য পাঁচটি বান্ডেল খোলা হলেও ভেতরে ছিল ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র।
তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে যে প্রশ্নপত্র আসে- সেগুলোতে ২০টি প্রশ্নপত্রে একটি বান্ডেল হয়। ৪২০২ নম্বর কক্ষের জন্য যে ৫টি বান্ডেল খোলা হয়- সেসবের প্রতিটি বান্ডেলে ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র লেখা ছিল। কিন্তু ভেতরে ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্র ছিল। পরীক্ষা শুরু আগে বিষয়টি দেখার সুযোগ না থাকায় শিক্ষকরা বান্ডেল খুলে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন বিতরণ করেন। পরীক্ষা শেষে জানা যায়- যারা মূলত অনিয়মিত ও মানোন্নয়নের জন্য পরীক্ষা দিচ্ছেন তাদের জন্য এই প্রশ্ন ছিল।’
তিনি আরও জানান, বিষয়টি জানাজানির পর শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বোর্ড থেকে ওই ১০০ জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদাভাবে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মীর শওকত আলম মীর বলেন, ‘বোর্ড থেকে বলা হয়েছে যে- সেই ১০০জন পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র আলাদাভাবে পাঠাতে। তাদের উত্তরপত্রগুলো নমনীয়ভাবে এবং ২০২৫ সালের প্রশ্নপত্র অনুযায়ী দেখা হবে।’
সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ কেন্দ্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষায় অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৯ জন। সব মিলিয়ে এ কেন্দ্রে নয় শতাধিক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে মাইগ্রেশনের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ জয়ী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- খণ্ডকালীন শিক্ষক নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন আবেদনপদ্ধতি
- শিক্ষকদের পদোন্নতি পারফরম্যান্স অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে দেওয়া হবে: ববি হাজ্জাজ
- আব্দুস সালাম তালুকদারের মৃত্যুবার্ষিকীতে মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- সিরাত না জানায় ইসলামকে কঠিন ধর্ম হিসেবে তুলে ধরছি: আজহারী
- শুরু হচ্ছে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদন
- জানুয়ারিতে ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তন
- কুমিল্লায় বিস্ফোরক মামলায় ২০ বছর পর তিনজনের কারাদণ্ড
- মেয়েরা বাস কেন চালাতে পারবে না: বর্ষা
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়
- জাপানের MEXT স্কলারশিপ পেলেন ১৬৬ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- আজ রাজধানীতে যেসব দোকানপাট-মার্কেট বন্ধ থাকবে