ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সন্তানের চিকিৎসায় সাহায্যের আবেদন

২০২৬ মে ০৫ ২১:৪৪:১৮

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সন্তানের চিকিৎসায় সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর ১৭ মাস বয়সী সন্তানের বিরল জেনেটিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় পরিবারটি এখন চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তার আকুতি জানাচ্ছে। সন্তানের জীবন রক্ষায় সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন তারা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা মিতুর একমাত্র সন্তান ‘শুদ্ধ’ জন্মের পর থেকেই স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ) টাইপ-২ নামের জটিল জেনেটিক রোগে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে। শিশুটির জন্ম ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর। তার বাবা আকিব হোসাইন শুভ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, এই রোগে শরীরের পেশি নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ু ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে, যার ফলে শিশু বসা, দাঁড়ানো বা হাঁটার মতো স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না। পাশাপাশি শ্বাস-প্রশ্বাস ও খাবার গিলতেও সমস্যা দেখা দেয়।

বর্তমানে শিশুটির শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছে এবং মেরুদণ্ড বাঁকা হওয়ার লক্ষণও দেখা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত চিকিৎসা শুরু না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

চিকিৎসা হিসেবে একটি বিশেষ জিন থেরাপি ইনজেকশন কার্যকর বলে জানা গেছে, যা দুই বছরের মধ্যে প্রয়োগ করা গেলে শিশুটি অনেকটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। তবে এই চিকিৎসার ব্যয় অত্যন্ত বেশি। চীনে উৎপাদিত ‘ভেসেমনোজিন’ নামের ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব হলেও এর মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

পরিবারের সঙ্গে আলোচনার পর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান খরচ কমিয়ে ৭৫ লাখ টাকায় চিকিৎসা দেওয়ার সম্মতি জানিয়েছে। তবে এত বড় অঙ্কের অর্থ জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।

শিশুটির বাবা আকিব হোসেন শুভ জানান, গত ১২ মার্চ পিডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডুর কাছে নিয়ে গেলে এসএমএ সন্দেহে পরীক্ষা করানো হয়। ১৪ মার্চ নমুনা ভারতে পাঠানো হয় এবং ২৬ মার্চ রিপোর্টে রোগটি নিশ্চিত হয়। বর্তমানে শিশুটির শ্বাসকষ্ট ও মেরুদণ্ড বাঁকা হওয়ার সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সন্তানের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে ফান্ড সংগ্রহের চেষ্টা চলছে, তবে এখনও পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ হয়নি। সবার সহযোগিতা পেলে শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মা রাজিয়া সুলতানা মিতু বলেন, প্রতিদিন সন্তানের দিকে তাকিয়ে মনে হয় সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। তিনি সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের সবাইকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে বিকাশ, নগদ ও রকেট নম্বর এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের হিসাব নম্বর প্রদান করা হয়েছে, যাতে আগ্রহীরা সরাসরি সহায়তা পাঠাতে পারেন।

সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম-

বিকাশ : ০১৭২৭৪৬২০২১, ০১৭৫০৫৯১৯৯৮, ০১৯২১৮৪২৪৪০, ০১৭৩৫২৬৬৫৩৭

নগদ : ০১৭২৭৪৬২০২১, ০১৭৫০৫৯১৯৯৮, ০১৯২১৮৪২৪৪০, ০১৭৩৫২৬৬৫৩৭

রকেট : ০১৭২৭৪৬২০২১-৯, ০১৭৫০৫৯১৯৯৮-৩, ০১৯২১৮৪২৪৪০-০, ০১৭৩৫২৬৬৫৩৭-৪

ব্যাংক হিসাব : স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, গুলশান শাখা

হিসাবের নাম : মো. আকিব হোসেন শুভ

হিসাব নম্বর : ১৮৭১৪৬৩১৮০১

রাউটিং নম্বর : ২১৫২৬১৭২৬

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?

দেশে কমলো সোনার দাম, ভরি কত?

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দামের পতন ঘটেছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে কয়েক হাজার টাকা কমে ক্রেতাদের জন্য কিছুটা... বিস্তারিত