ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
‘নারী-পুরুষের সমান মজুরি নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ’
নিজস্ব প্রতিবেদক: মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিকদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং নারী-পুরুষের সমান মজুরি নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মোট ৩৯টি কনভেনশন এবং একটি প্রোটোকল অনুস্বাক্ষর করেছে। আইএলও’র সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রমমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। তিনি জানান, গত ঈদুল ফিতরে দেশের সব শ্রমিকের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।
এ বছরের মে দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত।’ এই প্রতিপাদ্যের আলোকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে দেশের পাশাপাশি বিশ্বের সব শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ১৮৮৬ সালের শিকাগো শহরের হে মার্কেট আন্দোলনে যারা শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রাণ দিয়েছেন এবং পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে যারা অধিকার আদায়ের সংগ্রামে শহীদ হয়েছেন, তাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।
তারেক রহমান বলেন, শ্রমজীবী ও কর্মজীবী মানুষই দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি। শিল্প, কৃষি, অবকাঠামো ও অর্থনীতির প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অবদান রয়েছে। তাই শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত, নিরাপদ কর্মপরিবেশ সৃষ্টি এবং সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকদের রাষ্ট্র ও সমাজ উন্নয়নের মূল শক্তি হিসেবে বিবেচনা করতেন। তার উদ্যোগেই শ্রমিক কল্যাণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে শ্রমবাজার তৈরি করে তিনি প্রবাসী আয়ের পথ সুগম করেন, যা আজ দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন, শ্রম আইন আধুনিকীকরণ, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে পোশাক শিল্পে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান ঐতিহাসিক।
সবশেষে তিনি বলেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত হলেই একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমে সেই লক্ষ্য অর্জন করা হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি