ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
শিক্ষকদের উপস্থিতি যাচাইয়ে চালু হলো লাইভ রিপোর্টিং ব্যবস্থা
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নতুন নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছে সরকার। সোমবার (১৫ জুন) থেকে কার্যকর হওয়া এ ব্যবস্থার আওতায় প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। নিয়ম অনুযায়ী, সকাল ৯টা ১০ মিনিটের মধ্যে হাজিরা খাতার ছবি তুলে নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সোমবার থেকেই সারাদেশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, কার্যক্রমের প্রথম দিন হওয়ায় এখনো সব অঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ তথ্য হাতে আসেনি। তবে ধীরে ধীরে শতভাগ সাড়া পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, এই ব্যবস্থার আওতায় দেশের প্রায় ৪ লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। শিক্ষকদের নিয়মিত ও সময়মতো বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এ উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য। সরকারি কর্মচারী হিসেবে শিক্ষকদের চাকরিবিধি মেনে চলার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে বলে জানান তিনি।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ৯টা ১০ মিনিটের মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত ও অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা উল্লেখ করে হাজিরা খাতার ছবি উপজেলা বা থানা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। এরপর ধাপে ধাপে তথ্য উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিও) এবং বিভাগীয় উপপরিচালকের (ডিডি) মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পৌঁছাবে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকদের নির্ধারিত গুগল শিটেও তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। এর ফলে প্রতিদিন সকাল পৌনে ১০টার মধ্যে সারা দেশের শিক্ষকদের উপস্থিতির সামগ্রিক চিত্র একসঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করা এবং দায়িত্ব পালনে অনিয়ম রোধের লক্ষ্যেই এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপস্থিতি সংক্রান্ত ভুল বা অসত্য তথ্য প্রদান, কিংবা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য পাঠাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন ‘সিআইডি’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৯৫ পদে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ অক্টোবর)
- মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুকদের সুখবর দিল সরকার
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- ঢাবির ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন করবেন যেভাবে, জানুন বিস্তারিত
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত এমপির ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)