ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
হুমকি দিলে বিরোধীদলের পতন ঘটানো হবে: ইশরাক হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদন: বিরোধী দলের হুমকির জবাব রাজনৈতিকভাবেই রাজপথে দেওয়া হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার পতনের কোনো চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে ক্ষমতাসীনদের কর্মীরা মাঠেই সক্রিয় থাকবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।সরকারের বৈধতা প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, এই সরকার ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে আসেনি; বরং জনগণের সরাসরি ভোটে ম্যান্ডেট নিয়েই সংসদে এসেছে। তিনি বলেন, কেউ যদি হুমকি দিয়ে সরকার পতনের চিন্তা করে, তবে সংসদ নেতার নির্দেশে অতীতের মতোই রাজপথে থেকে তা মোকাবিলা করা হবে। তিনি দাবি করেন, আগেও নেতৃত্বের নির্দেশনায় আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শেখ হাসিনার পতন ঘটানো হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংসদে বিরোধী দলের সদস্যরা সুন্দর বক্তব্য রাখলেও তাদের কিছু বক্তব্যে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এসব বক্তব্যের কারণে ক্যাম্পাসগুলোতে উত্তেজনা বাড়ছে এবং ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগজনক।
তিনি আরও বলেন, গত বৃহস্পতিবার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একটি কার্যকর কমিটি গঠন করা হয় এবং বিরোধীদলীয় নেতাও এতে ইতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সংসদ বন্ধ থাকাকালে বিরোধী দলের নেতারা বিভিন্ন স্থানে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি ১৭ দিনের মধ্যে সরকার পতনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।ইশরাক হোসেন বলেন, সরকার বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং শান্তিপূর্ণ রাজনীতি চায়। তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, তাদের ত্যাগকে সম্মান করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জরুরি। তিনি সতর্ক করে বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে এর সুযোগ নিতে পারে পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসররা, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শেষে তিনি বিরোধী দলের প্রতি সংযত আচরণ এবং গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানান। তার মতে, স্বৈরাচারী শাসনামলে যে নেতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বের হয়ে এসে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ
- ৫৪ জেলায় টিসিবির ডিলার নিয়োগ, আবেদন শুরু ১০ মে
- পে স্কেলের প্রস্তাবিত গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- ঢাবিতে প্রথমবারের মতো আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি কর্মশালা
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- ঢাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল
- রবির মুনাফায় আকাশচুম্বী প্রবৃদ্ধি, ব্যাকফুটে শিপিং কর্পোরেশন
- ঈদকে সামনে রেখে মুনাফা তুলছেন বিনিয়োগকারীরা
- বাংলাদেশিদের স্কলারশিপ দেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিমন্স ইউনিভার্সিটি, আবেদন শুরু
- পদত্যাগ করলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
- আজ সন্ধ্যায় সাদিক কায়েমের বিয়ে
- এমপিও শিক্ষকদের ঈদ বোনাস কবে, যা জানা গেল
- লাইফ সাপোর্টে অভিনেত্রী কারিনা কায়সার