ঢাকা, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
হুমকি দিলে বিরোধীদলের পতন ঘটানো হবে: ইশরাক হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদন: বিরোধী দলের হুমকির জবাব রাজনৈতিকভাবেই রাজপথে দেওয়া হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার পতনের কোনো চেষ্টা হলে তা প্রতিহত করতে ক্ষমতাসীনদের কর্মীরা মাঠেই সক্রিয় থাকবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।সরকারের বৈধতা প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, এই সরকার ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো নির্বাচনের মাধ্যমে আসেনি; বরং জনগণের সরাসরি ভোটে ম্যান্ডেট নিয়েই সংসদে এসেছে। তিনি বলেন, কেউ যদি হুমকি দিয়ে সরকার পতনের চিন্তা করে, তবে সংসদ নেতার নির্দেশে অতীতের মতোই রাজপথে থেকে তা মোকাবিলা করা হবে। তিনি দাবি করেন, আগেও নেতৃত্বের নির্দেশনায় আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শেখ হাসিনার পতন ঘটানো হয়েছিল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংসদে বিরোধী দলের সদস্যরা সুন্দর বক্তব্য রাখলেও তাদের কিছু বক্তব্যে উত্তেজনা তৈরি হচ্ছে। এর প্রভাব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও পড়ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, এসব বক্তব্যের কারণে ক্যাম্পাসগুলোতে উত্তেজনা বাড়ছে এবং ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে, যা উদ্বেগজনক।
তিনি আরও বলেন, গত বৃহস্পতিবার জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একটি কার্যকর কমিটি গঠন করা হয় এবং বিরোধীদলীয় নেতাও এতে ইতিবাচক মন্তব্য করেছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সংসদ বন্ধ থাকাকালে বিরোধী দলের নেতারা বিভিন্ন স্থানে উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি ১৭ দিনের মধ্যে সরকার পতনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।ইশরাক হোসেন বলেন, সরকার বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং শান্তিপূর্ণ রাজনীতি চায়। তিনি ২০২৪ সালের আন্দোলনে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, তাদের ত্যাগকে সম্মান করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ জরুরি। তিনি সতর্ক করে বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হলে এর সুযোগ নিতে পারে পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসররা, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
শেষে তিনি বিরোধী দলের প্রতি সংযত আচরণ এবং গঠনমূলক রাজনীতির আহ্বান জানান। তার মতে, স্বৈরাচারী শাসনামলে যে নেতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা থেকে বের হয়ে এসে পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- দর্শন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. প্রদীপ কুমার রায়ের মৃ’ত্যু
- সকালে না রাতে, কখন গোসল করা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি ভালো?
- স্কলারশিপ দিচ্ছে মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- স্কুল-কলেজের প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগ পরীক্ষার ফল আজই
- দেশে সোনার দামে বড় পতন
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- নবনিযুক্ত সিন্ডিকেট সদস্য মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী আর নেই