ঢাকা, শনিবার, ৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
‘অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ৪২ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব’
নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সক্ষমতা উন্নয়ন করা গেলে নতুন জনবল বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ‘নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা: গবেষণা থেকে নীতি নির্ধারণ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি গবেষণালব্ধ তথ্যকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ‘স্মার্ট হেলথ সিস্টেম’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, গবেষণাকে কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক ও ‘পিপল-সেন্ট্রিক’ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সম্পদের ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিদ্যমান সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। অনেক ক্ষেত্রেই বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার হচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ড. এম এ মুহিত উল্লেখ করেন, কোনো অতিরিক্ত খরচ বা জনবল ছাড়াই শুধু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। তিনি বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও ডিজিটাল ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে সেবা আরও কার্যকর করা যাবে।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ওয়ার্ডভিত্তিক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দারিদ্র্য সম্পর্কিত স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ডেটা স্বাস্থ্য পরিকল্পনাকে আরও নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত করতে সাহায্য করবে।
তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থাকে অবশ্যই জনগণের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলতে হবে। শুধু রোগ নিরাময় নয়, রোগীর মানসিক স্বস্তি ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাও একটি কার্যকর স্বাস্থ্যসেবার অংশ।
স্বাস্থ্য খাতে গবেষণা ও একাডেমিক জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গবেষণালব্ধ ফলাফল যেন কেবল প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তা সরাসরি নীতি প্রণয়নে ব্যবহৃত হয়।
তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে তথ্য বিশ্লেষণ সহজ হয়েছে, যা ভবিষ্যতের ‘স্মার্ট হেলথ সিস্টেম’ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউকে’র নতুন কমিটি ঘোষণা
- শিক্ষাবৃত্তি দেবে ইবনে সিনা ট্রাস্ট, আবেদন শুরু
- ঢাবির নতুন প্রো-ভিসি ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী
- ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামলো আরও ১০ ব্যাংক
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
- নতুন ট্রেন্ড: ক্রেয়ন স্টাইলে প্রোফাইল ছবি বানাবেন যেভাবে
- ১:৮ অনুপাতে নতুন পে স্কেল, বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি টাকা
- সাদিক কায়েমের বিয়ে নিয়ে যা জানা গেছে
- ব্যবসায় বড় লাফ ইউসিবি ও লিন্ডে বিডির
- টাইমস হায়ার এডুকেশন এশিয়া র্যাংকিংসে যৌথভাবে শীর্ষে ঢাবি
- মৌসুমীর ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে মিশার সহায়তা চাইলেন ওমর সানী
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন পরিচালক নজরুল ইসলাম
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ মে)
- নবম পে স্কেলে বেতন কাঠামো কত নির্ধারণ করা হয়েছে?