ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

‘অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ৪২ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব’

২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১৯:১৩:৪৭

‘অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি ৪২ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব’

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাস্থ্য খাতের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা ও কারিগরি সক্ষমতা উন্নয়ন করা গেলে নতুন জনবল বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবার পরিধি প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ‘নগর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনা: গবেষণা থেকে নীতি নির্ধারণ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি গবেষণালব্ধ তথ্যকে কাজে লাগিয়ে একটি আধুনিক, জনবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর ‘স্মার্ট হেলথ সিস্টেম’ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, গবেষণাকে কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি তথ্যভিত্তিক ও ‘পিপল-সেন্ট্রিক’ স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাস্থ্য খাতে সম্পদের ঘাটতির চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিদ্যমান সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। অনেক ক্ষেত্রেই বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার হচ্ছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ড. এম এ মুহিত উল্লেখ করেন, কোনো অতিরিক্ত খরচ বা জনবল ছাড়াই শুধু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নত করার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার সক্ষমতা প্রায় ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। তিনি বলেন, সঠিক পরিকল্পনা ও ডিজিটাল ডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে সেবা আরও কার্যকর করা যাবে।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ওয়ার্ডভিত্তিক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দারিদ্র্য সম্পর্কিত স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব ডেটা স্বাস্থ্য পরিকল্পনাকে আরও নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত করতে সাহায্য করবে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা ব্যবস্থাকে অবশ্যই জনগণের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলতে হবে। শুধু রোগ নিরাময় নয়, রোগীর মানসিক স্বস্তি ও সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাও একটি কার্যকর স্বাস্থ্যসেবার অংশ।

স্বাস্থ্য খাতে গবেষণা ও একাডেমিক জ্ঞানের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গবেষণালব্ধ ফলাফল যেন কেবল প্রকাশনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তা সরাসরি নীতি প্রণয়নে ব্যবহৃত হয়।

তিনি আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্য খাতে তথ্য বিশ্লেষণ সহজ হয়েছে, যা ভবিষ্যতের ‘স্মার্ট হেলথ সিস্টেম’ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

৩ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে প্রাইম ব্যাংক; চাঙ্গা হবে এসএমই ও কৃষি খাত

৩ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে প্রাইম ব্যাংক; চাঙ্গা হবে এসএমই ও কৃষি খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংক পিএলসি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থা ‘ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট’... বিস্তারিত