ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
আমিরাত রক্ষায় ইসরায়েলের ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েন, যুদ্ধের নয়া মোড়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে সংঘাতের শুরুর দিকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা জোরদার করতে সেখানে ইসরায়েলের অত্যাধুনিক ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েন করা হয়েছিল—এমন তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম। এই পদক্ষেপকে দুই দেশের সামরিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রোববার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস জানায়, শুধু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোই নয়, এটি পরিচালনার জন্য ইসরায়েল কয়েকজন সেনাও আমিরাতে মোতায়েন করেছিল। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অন্য কোনো দেশে আয়রন ডোম পাঠানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাত চলাকালে তেহরান থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০-এর বেশি ড্রোন ছোড়া হয় আমিরাতের দিকে, যা এই দেশটিকে যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করে ইরান। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতেও হামলার হুমকি অব্যাহত রাখে তারা। এমন পরিস্থিতিতে মিত্রদের সহায়তা চায় আবুধাবি।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে আলোচনার পরই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আয়রন ডোম মোতায়েনের নির্দেশ দেন। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে।
২০২০ সালের ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়তে থাকে। সাম্প্রতিক এই সংঘাতে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ইসরায়েল নিজেই যখন ব্যাপক হামলার মুখে, তখন দেশের বাইরে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর সিদ্ধান্ত দেশটির ভেতরে সমালোচনার জন্ম দিতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আমিরাতের মাটিতে ইসরায়েলি সেনার উপস্থিতি দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে যুদ্ধ চলাকালে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রসহ ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে আমিরাত।
অন্যদিকে, আয়রন ডোম প্রযুক্তি পাওয়ার আগ্রহ দেখালেও ইউক্রেনকে এই সুবিধা দিতে রাজি হয়নি ইসরায়েল। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘গোল্ডেন ডোম’ নামে মহাকাশভিত্তিক একটি নতুন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছেন, যা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও ধ্বংস করতে সক্ষম হবে।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ম্যাচ কখন, কোথায় দেখবেন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম মালয়েশিয়া ম্যাচ: Live দেখুন এখানে
- আকিজ গ্রুপে চাকরি, আবেদন ৯ অক্টোবর পর্যন্ত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্যকে প্রত্যাখ্যান শিক্ষার্থীদের
- ঢাবির শহীদুল্লাহ্ হলের শিক্ষার্থী মুরাদের আকস্মিক মৃ/ত্যু
- আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ সেপ্টেম্বর)
- একসঙ্গে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করল সরকার, দেখুন তালিকা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ সেপ্টেম্বর)
- প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র
- ডিসেম্বরে দেশে ফেরা নিয়ে নতুন ঘোষণা হাসিনার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৬ সেপ্টেম্বর)