ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩
মানুষের এমন উচ্ছ্বাস ও অংশগ্রহণ সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে বিরল: সংস্কৃতিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলা নববর্ষকে ঘিরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে মানুষের এমন উচ্ছ্বাস ও অংশগ্রহণ সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে বিরল।
তিনি জানান, অন্যান্য বছরগুলোতে সকাল ১০টা-১১টার আগে রাস্তায় তেমন মানুষের উপস্থিতি দেখা যেত না, তবে এবার সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে। তার ভাষায়, মানুষ যেন বন্যার মতো ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিসিক ও বাংলা একাডেমির যৌথ আয়োজনে সাত দিনব্যাপী ‘বৈশাখী মেলা ১৪৩৩’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখে বৈশাখী মেলার ঐতিহ্য গ্রামীণ জীবন থেকে উৎসারিত হয়ে এখন নগরজীবনেও বিস্তৃত হয়েছে। কৃষিভিত্তিক সমাজে এই মেলার প্রচলন শুরু হলেও বর্তমানে শহুরে মানুষও তা ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত এই মেলা শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য একটি বড় সুযোগ এবং এটি দেশের গ্রাম-গঞ্জেও ছড়িয়ে পড়া প্রয়োজন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সংস্কৃতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। অতীতে এ দিনে নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও এবার সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।
তিনি বলেন, এবারের বর্ষবরণে মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও শৃঙ্খলা প্রমাণ করে যে দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মেলায় মোট ১৬০টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চামড়াজাত পণ্য, জামদানি, নকশিকাঁথা, বস্ত্র, শতরঞ্জি ও মণিপুরি শাড়ির স্টল। এছাড়া কারুশিল্প, শিশুদের বিনোদন, পুতুলনাচ, বায়োস্কোপ ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের জন্যও পৃথক স্টল রাখা হয়েছে।
প্রান্তিক কারুশিল্পী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির জন্য বিশেষভাবে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এখানে কৃষিজ পণ্য, কারুশিল্প, পাট ও চামড়াজাত দ্রব্য, জামদানি, শতরঞ্জি, শীতলপাটি, কুটির শিল্প ও লোকজ খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭০-এর দশকের শেষার্ধ থেকে বিসিক ও বাংলা একাডেমি যৌথভাবে নববর্ষ উপলক্ষে এ মেলার আয়োজন করে আসছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ৬৪ জেলায় পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ, আবেদন ১৩ অক্টোবর
- আধুনিক প্রযুক্তিতে শিল্প এগিয়ে নিতে হবে: রিজভী
- এস আলমের কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল
- প্রবাসের ঠিকানা বদলায় শিকড়ের পরিচয় নয়
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের রুটিন প্রকাশ, দেখুন এখানে
- প্রধান শিক্ষক নিয়োগে হাইকোর্টের রায় স্থগিত
- জাবির জঙ্গলে গভীর রাতে তিন নারীসহ পাঁচ বহিরাগত আটক
- ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
- ফ্যামিলি কার্ডের আশায় টিপসই দিয়ে ‘বিয়ে হয়ে গেল’ আছিয়ার
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৮ অক্টোবর)
- দৈনন্দিন একাডেমিক কার্যক্রম সহজকরণে 'ক্লাসট্যাবলেট'
- বুয়েটে ২৪ পদে নিয়োগ, আবেদন ১১ নভেম্বর পর্যন্ত
- শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণায় দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযান
- বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক
- বিআরটিসির নতুন চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর