ঢাকা, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন আনল সরকার, দেখুন এখানে
নিজস্ব প্রতিবেদক: পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশ ও মেধা মূল্যায়নের পদ্ধতিকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করতে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ প্রবর্তন করেছে সরকার। মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নতুন নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। নতুন এই নিয়ম অনুযায়ী, বৃত্তির জন্য এখন থেকে মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে শিক্ষার্থীদের।
শিক্ষাখাতে গুণগত পরিবর্তন আনতে সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, ২০২৬ সাল থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের পরীক্ষাও এই পদ্ধতিতেই নেওয়া হবে। পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নে ভালো ফল থাকতে হবে। কেবল শীর্ষ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থীই এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্য হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য এটি বাধ্যতামূলক হলেও বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোকে এনসিটিবি পাঠ্যক্রম অনুসরণ ও ‘আইপিইএমআইএস’ সিস্টেমে নিবন্ধিত থাকতে হবে।
পরীক্ষার বিষয় ও মান নিয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোট ৪টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিষয়গুলো হলো বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত)। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ১০০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে এবং পরীক্ষার সময় হবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেলেই কেবল একজন শিক্ষার্থী বৃত্তির জন্য বিবেচিত হবে।
বৃত্তির কোটা ও বণ্টন ব্যবস্থা নিয়ে নীতিমালায় নতুনত্ব আনা হয়েছে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ক্যাটাগরিতে ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ পাবেন বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে প্রতিটি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড থেকে ৫ জন (২ জন ছাত্র, ২ জন ছাত্রী ও ১ জন মেধা কোটা) শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অন্যদিকে ট্যালেন্টপুল বৃত্তি দেওয়া হবে উপজেলা বা থানা ভিত্তিক মেধার ভিত্তিতে।
পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে একটি স্টিয়ারিং কমিটি দায়িত্ব পালন করবে। স্থানীয় পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা (ইউএনও) তদারকি করবেন। কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। এই নীতিমালা প্রবর্তনের ফলে ২০০৮ সালের পুরোনো সব নিয়ম বাতিল হয়ে গেল।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ জুলাই)
- সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন দুই কর্মকর্তা
- হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ড. মুজাম্মেল হক
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৭ জুলাই)
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৭ জুলাই)
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- আজ থেকে আবার শুরু এইচএসসি পরীক্ষা