ঢাকা, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিতে হবে: ববি হাজ্জাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও মানবিক গুণাবলি বিকাশে প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, একটি উন্নত ও প্রগতিশীল জাতি গঠনে সংস্কৃতিচর্চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শিশুদের বিকাশে গান, নাচ ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সংকীর্ণ মানসিকতার কারণে সাংস্কৃতিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করার কোনো সুযোগ নেই। শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার ঢাকার মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের আন্তঃপিটিআই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। এ লক্ষ্যে ২০২৮ সাল থেকে নতুন কারিকুলামের আওতায় চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বৃহৎ পরিসরে সাংস্কৃতিক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা-ভিশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ধাপে ধাপে প্রাথমিক শিক্ষায় সাংস্কৃতিক শিক্ষা (কালচারাল এডুকেশন) অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যারা শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানেই নয়, সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধেও সমৃদ্ধ হবে।
ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যেখানে শিক্ষকতা, বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকতা, একটি মর্যাদাপূর্ণ ও আকর্ষণীয় পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। শিক্ষকদের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হবে।
প্রাথমিক শিক্ষকদের মর্যাদার বিষয়ে তিনি বলেন, যিনি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন, তিনি কেবল ‘সহকারী’ নন, একজন পূর্ণাঙ্গ শিক্ষক। তাই শিক্ষকের দায়িত্ব ও অবদানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের পরিচয় ও মর্যাদা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসীসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক বিকাশে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ জুলাই)
- হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য ড. মুজাম্মেল হক
- সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন দুই কর্মকর্তা
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- অনলাইনে ও এসএমএসে এসএসসির ফল দেখবেন যেভাবে
- আজই নিষিদ্ধ হতে পারে ঢাবির নীল দল
- বিকাশে মিলবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া ভাতা
- ঢাবির সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে দুইজন আটক
- ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ