ঢাকা, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
কৃষিখাতের উন্নয়ন জাতীয় অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি: কৃষিমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষিখাতকে শক্তিশালী করা গেলে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন-উর রশীদ। তিনি জানান, দেশের বড় একটি জনগোষ্ঠী প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল, তাই এ খাতের উন্নয়ন জাতীয় অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয়ক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতার কারণে কৃষকদের বাস্তব সমস্যা তিনি কাছ থেকে দেখেছেন। কৃষির আধুনিকায়ন ছাড়া উৎপাদনশীলতা বাড়ানো সম্ভব নয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি স্মরণ করেন, বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (বার্ড)-এর জনক ড. আখতার হামিদ খান বিভিন্ন দেশে আধুনিক কৃষিপদ্ধতির চিত্র তুলে ধরতেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই কৃষি উন্নয়ন ও প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদের বিষয়ে তার আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
কৃষকদের তথ্যভাণ্ডার গড়ে তুলতে দ্রুত কৃষি কার্ড চালুর ঘোষণা দেন তিনি। তার মতে, সঠিক ও সমন্বিত তথ্য না থাকায় নীতিনির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়। কৃষি কার্ড চালু হলে প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সহায়তা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত ঘাস উৎপাদন হলেও কেন খামারিরা বেশি দামে খাদ্য কিনছেন—তা খতিয়ে দেখা হবে। মাঠপর্যায়ের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে টেকসই করতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তায় ১০ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ মওকুফ করা হয়েছে, যা উৎপাদনে নতুন গতি আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। কৃষি কার্ড বাস্তবায়নের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান তিনি।
কর্মশালায় জানানো হয়, প্রাণিসম্পদ সেবা বাড়াতে সারা দেশে ৪৭৫টি মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে এসব সেবার মাধ্যমে খামারিরা দ্রুত চিকিৎসা ও পরামর্শ পাচ্ছেন।
এছাড়া লাইভস্টক ফার্মার্স ফিল্ড স্কুল, প্রশিক্ষণ, টিকাদান, রোগ নজরদারি, কৃত্রিম প্রজননসহ নানা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। ১৩৫টি ওয়েট মার্কেট নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ১৩টি জেলা শহরে আধুনিক কসাইখানা নির্মাণাধীন রয়েছে, যা নিরাপদ মাংস সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তফা কামাল এবং আলোচনা পরিচালনা করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩ সেপ্টেম্বর)
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- জেনে নিন একাদশ-আলিমে ভর্তির আবেদন পদ্ধতি
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের ফল প্রকাশ
- সাত কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফরম পূরণ স্থগিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৪ সেপ্টেম্বর)
- নবম পে-স্কেল অনুমোদন, বেতন বাড়ল কত
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- আগামী ১০ বছরে যেসব চাকরির চাহিদা বাড়বে, জেনে নিন
- শিক্ষক নিয়োগ দেবে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
- ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকার শারীরিক সম্পর্ক, ৭ বছরের জেল
- এসএসসিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুখবর
- নতুন প্রজন্মকে তামাকের ক্ষতি থেকে বাঁচাতে ঘরে ঘরে সচেতনতা জরুরি