ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত কমিটির প্রধান হলেন মির্জা ফখরুল

২০২৬ ফেব্রুয়ারি ২৬ ১৪:৪৮:৩৫

জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত কমিটির প্রধান হলেন মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় পদক ও রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রদানের প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও সুশৃঙ্খল করতে ‘জাতীয় পুরস্কার সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে নবনির্বাচিত সরকার। রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননাসহ বিভিন্ন জাতীয় পুরস্কারের জন্য যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের লক্ষ্যে ১০ সদস্যের এই শক্তিশালী কমিটি গঠন করে গত রাতে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, দেশবরেণ্য গুণীজনদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কোনো ধরণের রাজনৈতিক প্রভাব বা স্বজনপ্রীতি রোধ করাই এই পুনর্গঠনের মূল উদ্দেশ্য। কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন সরকারের একঝাঁক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুকেও এই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী পর্যায় থেকে কমিটিতে স্থান পেয়েছেন রেলপথ ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এবং শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। কমিটির কার্যকারিতা বাড়াতে এবং কারিগরি সহায়তা দিতে প্রশাসনে শীর্ষ আমলারাও সংযুক্ত থাকছেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ অর্থ, শিক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবগণ কমিটিকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত দিয়ে সহায়তা করবেন। পুরো প্রক্রিয়ার সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নতুন এই কমিটির জন্য তিনটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিধি নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আসা পুরস্কারের প্রস্তাবগুলো গভীরভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। দ্বিতীয়ত, বিদ্যমান পুরস্কারগুলোর মর্যাদা ও ক্রম নির্ধারণে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তনের সুপারিশ করা। এবং সবশেষে, সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে নতুন কোনো জাতীয় পুরস্কার প্রবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না, তা যাচাই করে সরকারের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পেশ করা।

উল্লেখ্য, এই নতুন প্রজ্ঞাপন জারির ফলে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত পূর্ববর্তী কমিটিটি বিলুপ্ত বলে গণ্য হবে। সরকার মনে করছে, মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বাধীন এই কমিটি মেধা ও ত্যাগের ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সম্মাননার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হবে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত