ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২
শিক্ষা উপদেষ্টা
'শিক্ষার রূপান্তরে নিজস্ব সংস্কৃতি এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই'
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব গভীরভাবে পর্যালোচনার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষা উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। তিনি বলেন, শিক্ষার রূপান্তরে নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় পরিচয় এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ বিভাগের মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার বিদ্যমান ঘাটতি ও অসংগতি পর্যালোচনায় গঠিত কমিটির খসড়া প্রতিবেদন নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে যারা শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করছেন, তাদের অভিজ্ঞতা নীতিনির্ধারণে অত্যন্ত কার্যকর। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি ভিশন ডকুমেন্ট ও পরামর্শভিত্তিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আমাদের সামাজিক শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রতিবেদনটি কোনো নির্দিষ্ট সরকারের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়, বরং এটি একটি সমন্বিত আলোচনার ফল।
অনুষ্ঠানে গণসাক্ষরতা অভিযানের (ক্যাম্প) নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীরা কেন শিখছে না এবং শিক্ষকরা কেন কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছেন না—তার অনেক উত্তর এই প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মূল্যায়ন ব্যবস্থার (অ্যাসেসমেন্ট) দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো এখানে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এসব সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ বলেন, শিক্ষা নিয়ে আলোচনা আগে খণ্ডিত হলেও এবারের প্রতিবেদনে একটি পূর্ণাঙ্গ ও সুশৃঙ্খল দৃষ্টিভঙ্গি দেখা গেছে। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কাঠামো এখনো পুরোপুরি শিক্ষা সংস্কারবান্ধব হয়ে ওঠেনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় খসড়া প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র লেকচারার অনন্ত নীলিম। অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরীসহ শিক্ষা খাতের বিভিন্ন অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিডি থাই ফুড
- কী আছে এপস্টেইন ফাইলে? কেন এত হইচই বিশ্বজুড়ে?
- ইপিএস প্রকাশ করেছে কনফিডেন্স সিমেন্ট
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সোনালী পেপার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইজেনারেশন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিলকো ফার্মা
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সাফকো স্পিনিং
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা
- নতুন জাতীয় দৈনিকে ক্যারিয়ার গড়ার বড় সুযোগ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এসিআই
- এক লাফে ভরিতে ১৪ হাজার টাকা কমলো সোনার দাম
- ইপিএস প্রকাশ করেছে গোল্ডেন সন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বার্জার পেইন্টস