ঢাকা, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ভুয়া জরিপ দিয়ে ইতিহাস বদলানো যাবে না: শামসুজ্জামান দুদু
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভুয়া জরিপ আর পরিকল্পিত মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা পাল্টানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, জনগণ সবসময় সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝে এসেছে এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রবাসী ও ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। হাতে সময় খুবই কম—মাত্র তিন সপ্তাহের প্রচারণাতেই নির্ধারিত হবে দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে। তার ভাষায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পথে। কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস কিংবা ষড়যন্ত্রের রাজনীতির জায়গা হবে না।
তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে একটি ধারণা ছড়ানো হচ্ছে একটি দল এবার রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে, যা তারা শত বছরেও অর্জন করতে পারেনি। এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করতেই এখন ভুয়া জরিপ প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব জরিপে বিএনপি ও ওই দলকে প্রায় সমান অবস্থানে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
চারটি প্রতিষ্ঠানের জরিপের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দুদু বলেন, ওই জরিপগুলোতে বলা হচ্ছে বিএনপি ও একটি দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, কারণ তারা আন্দোলন করেছে ও রাজপথে সক্রিয় ছিল। সেই যুক্তিতে দাবি করা হচ্ছে তাদের ভোট তিন শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, বিএনপি কি এতদিন ঘরে বসে ছিল? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপির নেতৃত্ব ১৭ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তারেক রহমানকে দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকতে হয়েছে, অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, যদি বিএনপির ভোট সত্যিই ৪০-৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে, তাহলে আসন সংখ্যাও তো দ্বিগুণ হয়ে ৪০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা। এই সাধারণ হিসাবই প্রমাণ করে, প্রচারিত জরিপগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি বা সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে জনগণ কখনোই গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। দেশের বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচন বানচালের যেকোনো চেষ্টা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে লাভবান করবে, আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ জনগণ।
কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আবুল কালাম, চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ১ম টি-টোয়েন্টি-দেখুন সরাসরি (LIVE)
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা: দেখুন সবগুলো প্রশ্নের সঠিক সমাধান
- স্কুলছাত্রী থেকে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধার সাথে অন্তরঙ্গের পর ভিডিও কুয়েট ছাত্রের
- বিকালে আসছে ১৯ কোম্পানির ডিভিডেন্ড-ইপিএস
- বুলগেরিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হলো ঢাবি শিক্ষার্থীর প্রামাণ্যচিত্র
- বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের সিনেট সদস্য হলেন ৫ সংসদ সদস্য
- বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১০০ ধাপ এগিয়েছে ঢাবি, যৌথভাবে দেশসেরা
- বদলে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম
- স্বর্ণের দামে রেকর্ড পতন
- এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে যা জানাল শিক্ষাবোর্ড
- ঢাবি ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
- ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ বাসা থেকে উদ্ধার
- বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রে
- মিমোর মৃ'ত্যু ঘিরে সর্বশেষ যা জানা গেল
- ‘সিলটি’ ভাষাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি