ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
ভুয়া জরিপ দিয়ে ইতিহাস বদলানো যাবে না: শামসুজ্জামান দুদু
নিজস্ব প্রতিবেদক: ভুয়া জরিপ আর পরিকল্পিত মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা পাল্টানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, জনগণ সবসময় সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বুঝে এসেছে এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলন আয়োজিত ‘আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রবাসী ও ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। হাতে সময় খুবই কম—মাত্র তিন সপ্তাহের প্রচারণাতেই নির্ধারিত হবে দেশ কোন পথে অগ্রসর হবে। তার ভাষায়, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার পথে। কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িকতা, সন্ত্রাস কিংবা ষড়যন্ত্রের রাজনীতির জায়গা হবে না।
তিনি অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরের বেশি সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে একটি ধারণা ছড়ানো হচ্ছে একটি দল এবার রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে, যা তারা শত বছরেও অর্জন করতে পারেনি। এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করতেই এখন ভুয়া জরিপ প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব জরিপে বিএনপি ও ওই দলকে প্রায় সমান অবস্থানে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
চারটি প্রতিষ্ঠানের জরিপের প্রসঙ্গ তুলে ধরে দুদু বলেন, ওই জরিপগুলোতে বলা হচ্ছে বিএনপি ও একটি দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, কারণ তারা আন্দোলন করেছে ও রাজপথে সক্রিয় ছিল। সেই যুক্তিতে দাবি করা হচ্ছে তাদের ভোট তিন শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশে পৌঁছেছে। তাহলে প্রশ্ন ওঠে, বিএনপি কি এতদিন ঘরে বসে ছিল? তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপির নেতৃত্ব ১৭ বছর ধরে নির্যাতনের শিকার হয়েছে, তারেক রহমানকে দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকতে হয়েছে, অসংখ্য নেতাকর্মী গুম ও কারাবরণের শিকার হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, যদি বিএনপির ভোট সত্যিই ৪০-৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে, তাহলে আসন সংখ্যাও তো দ্বিগুণ হয়ে ৪০০ ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা। এই সাধারণ হিসাবই প্রমাণ করে, প্রচারিত জরিপগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর।
শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বাংলাদেশের মানুষ কখনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি বা সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে জনগণ কখনোই গ্রহণ করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না। দেশের বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হলো সুষ্ঠু নির্বাচন। নির্বাচন বানচালের যেকোনো চেষ্টা অগণতান্ত্রিক শক্তিকে লাভবান করবে, আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ জনগণ।
কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আবুল কালাম, চালক দলের সভাপতি জসিম উদ্দিন কবিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)