ঢাকা, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডে জবানবন্দি দিচ্ছেন পুলিশের নায়েক
নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় শহীদ হওয়া রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের হওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বৃহস্পতিবার ১৩তম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এ মামলায় মোট ৩০ জন আসামি রয়েছেন, যার মধ্যে বেরোবির সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদও অন্তর্ভুক্ত।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এদিন সকাল সোয়া ১১টার পর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ট্রাইব্যুনালে পুলিশ নায়েক আবু বকর সিদ্দিক সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিচ্ছেন। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করছেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, সঙ্গে আছেন প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, মঈনুল করিম, সাইমুম রেজা তালুকদার ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান।
এর আগে বুধবার (১২ নভেম্বর) সাক্ষ্য দিয়েছেন এসআই (সশস্ত্র) মো. আশরাফুল ইসলাম। তিনি জানান, রংপুর কোতোয়ালি জোনের তৎকালীন এসি মো. আরিফুজ্জামান ও তাজহাট থানার ওসি রবিউল ইসলামের নির্দেশে চালানো গুলিতে আবু সাঈদ নিহত হন। পরে তাকে জেরা করা হয় পলাতক ২৪ আসামির পক্ষে নিয়োগপ্রাপ্ত চারজন আইনজীবী এবং উপস্থিত ছয় আসামির আইনজীবীদের দ্বারা।
মামলার আগে সাক্ষীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রংপুর কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী ইমরান আহমেদ ও বেরোবির শিক্ষার্থী আকিব রেজা খান, যারা প্রত্যক্ষদর্শী ও আন্দোলনকারীদের অংশ ছিলেন। সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালীন সময়ে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন তারা। এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ কয়েকবার পেছানো হয়েছিল, কারণ প্রয়োজনীয় সাক্ষীরা উপস্থিত থাকতে পারেননি।
মামলার শুরু হয় ২৮ আগস্ট, আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের জবানবন্দি দিয়ে। এর পর সাংবাদিক মঈনুল হক সাক্ষ্য দিয়েছেন। বর্তমানে গ্রেপ্তার ছয়জন আসামি উপস্থিত রয়েছেন, তারা হলেন এএসআই আমির হোসেন, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় ২৭ আগস্ট, সূচনা বক্তব্য দেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করে। তবে ২৪ জন আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন, তাদের পক্ষে গত ২২ জুলাই সরকারি খরচে চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এ মামলায় বর্তমানে মোট সাক্ষীর সংখ্যা ৬২ জন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলছে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখুন এখানে
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- পে স্কেলের প্রস্তাবিত গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- আজ সন্ধ্যায় সাদিক কায়েমের বিয়ে
- অনার্সে পড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার
- ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণে বসছে চাঁদ দেখা কমিটি
- ডিগ্রি ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- নতুন করপোরেট গভর্নেন্স রুলসের খসড়া প্রকাশ, মতামত আহ্বান বিএসইসির
- সমকামিতার অভিযোগে দুই ছাত্রদল নেতাসহ ৪ শিক্ষার্থীর সিট বাতিল
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবাধিকার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
- না ফেরার দেশে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার
- বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সৌদি আরবে ফুল ফ্রি স্কলারশিপের সুযোগ
- নতুন উপাচার্য পেল দেশের ১০ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
- ৩৬,০০০ টাকা বেতনে চাকরির সুযোগ ইস্টার্ন ব্যাংকে