ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য বিপন্ন: বাদশাহ আবদুল্লাহ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহ সতর্ক করে বলেছেন, যদি চলমান শান্তি প্রক্রিয়াটি ফলপ্রসূ না হয় এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দিকে এগোনো না হয়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংসের মুখে পড়তে পারে। তিনি বলেন, এখনই সমাধান করা না হলে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের নাগরিকদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না, এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ভেঙে যাবে।
মিসরের শার্ম আল-শেখে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনার ওপর অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনের আগে এই মন্তব্য করেন বাদশাহ। ওই সময়ে হামাস গাজায় আটক শেষ জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দেয়, যা ইসরায়েলের বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির সঙ্গে বিনিময় করা হয়।
বাদশাহ আবদুল্লাহ বলেন, এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার অনেক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। একমাত্র সমাধান হলো দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান, অর্থাৎ পশ্চিম তীর ও গাজায় একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্থাপন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিস্থিতি ঠিক করা সম্ভব হবে।
বর্তমান ইসরায়েলি সরকার বারবার দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান প্রত্যাখ্যান করেছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এটি তীব্রভাবে বিরোধিতা করেন, তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শান্তি পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করতে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
বাদশাহ আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে এমন কিছু ইসরায়েলি আছে যাদের সঙ্গে আরব নেতারা শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করতে পারেন। কাতার ও মিশরের মতো দেশগুলো এই প্রক্রিয়ায় ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে, যারা আশা করছে যে যুদ্ধবিরতির শর্তগুলো কার্যকর হবে।
তিনি সতর্ক করে উল্লেখ করেন, ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় করা চুক্তিতে ঝুঁকি রয়েছে এবং গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে মার্কিন প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা অপরিহার্য। বাদশাহ বলেন, “ফিলিস্তিনিদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত না হলে পুরো অঞ্চল বিপন্ন হবে। আমাদের সকলের এখনই বলার সময় এসেছে, যথেষ্ট হয়েছে।
জর্ডান ও ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৪ সাল থেকে শান্তি চুক্তি রয়েছে। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত। তাছাড়া কিছু নিরাপত্তা ইস্যুতেও দুই দেশ সহযোগিতা করে। বাদশাহের বাবা, বাদশাহ হুসেন, এবং ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আইজ্যাক রবিন এই চুক্তিতে সম্মত হন।
বাদশাহ আবদুল্লাহ আরও বলেন, তিনি চাইছেন নিজের জীবদ্দশায় একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি দেখতে পাবেন। তিনি উল্লেখ করেন, তার দুই নাতি-নাতনি শান্তির যোগ্য, তাই তাদের জন্য শান্তি নিশ্চিত করা তার দায়িত্ব। তিনি বলেন, শান্তিই একমাত্র বিকল্প। যদি তা না ঘটে, পশ্চিমারা কতবার জড়িয়ে পড়বে তা আমাদের সবাইকে ভাবতে হবে।
কেএমএ
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ম্যাচ: সরাসরি দেখা যাবে এখানে LIVE
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনো ফুটবল ম্যাচ, দেখুন একাদশ-দেখার উপায়
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোর ম্যাচটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম সান মারিনোম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন এখানে
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- ডিএসইতে রেকর্ড উত্থান, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা
- বাংলাদেশে যেসব চ্যানেলে দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬