ঢাকা, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২
রাশিয়ার তেলের আয় দুর্বল করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ভেতরের দূরপাল্লার জ্বালানি অবকাঠামোর লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কিত গোয়েন্দা তথ্য ইউক্রেনকে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে তেল শোধনাগার, পাইপলাইন ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার তেলের আয়ের উৎস দুর্বল করা। রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে প্রথম বড় পরিবর্তন। সম্প্রতি রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পরই তিনি এ-সম্পর্কিত নির্দেশনায় স্বাক্ষর করেন।
আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করলেও, এখন তা আরও নির্দিষ্টভাবে দেওয়া হবে, যাতে ইউক্রেন সহজে এসব স্থাপনায় আঘাত হানতে পারে। এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো মিত্রদেরও একই ধরনের তথ্য সহায়তা দিতে বলেছে। ট্রাম্প ইউরোপীয় দেশগুলোকে রাশিয়ার জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করার জন্য চাপ দিচ্ছেন এবং এর বিনিময়ে তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চাইছেন।
এদিকে, ইউক্রেন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে প্রায় আড়াই হাজার কিলোমিটার পাল্লার টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র চাচ্ছে, যা ইউক্রেন থেকে ছোড়া হলে মস্কোসহ রাশিয়ার বড় অংশে আঘাত হানতে সক্ষম। ইউক্রেন নিজেও 'ফ্ল্যামিঙ্গো' নামের একটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি শুরু করেছে, তবে সেগুলোর সংখ্যা এখনও খুব কম।
ট্রাম্পের এই অবস্থান বদল এমন এক সময়ে এসেছে যখন তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন যে, রাশিয়ার অর্থনৈতিক সমস্যা দেখে ইউক্রেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তায় তাদের দখলকৃত সব এলাকা ফেরত পেতে এবং জয়ী হতে সক্ষম। এটিকে ইউক্রেনের পক্ষে তাঁর সবচেয়ে বড় সমর্থনমূলক মন্তব্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে জাতিসংঘে রুশ রাষ্ট্রদূত ভাসিলি নেবেনজিয়া বলেছেন, ট্রাম্প দ্রুত সমাধান খুঁজলেও এ যুদ্ধে তা সম্ভব নয়। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র দিলেও যুদ্ধক্ষেত্রে বিশেষ পরিবর্তন আসবে না।
রাশিয়ার যুদ্ধের সবচেয়ে বড় অর্থের উৎস হলো তেল ও গ্যাস রপ্তানি, তাই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা এখন এটিকে প্রধান লক্ষ্য বানাচ্ছে। ট্রাম্প ভারতের ওপরও অতিরিক্ত শুল্ক বসাচ্ছেন যেন তারা সস্তায় রুশ তেল কেনা বন্ধ করে, এবং একইভাবে তুরস্ককেও রাশিয়ার তেল কেনা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। জি৭ দেশের অর্থমন্ত্রীরা ঘোষণা দিয়েছেন যে, যেসব দেশ রুশ তেল কিনছে বা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তা বিক্রি করছে, তাদের ওপর একসঙ্গে চাপ বাড়ানো হবে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ: রেজাল্ট দেখুন এক ক্লিকে
- ঢাবিতে স্নাতক ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি, যারা আবেদন করতে পারবেন
- ইবতেদায়ি বৃত্তির ফল প্রকাশ: মোট বৃত্তি পেল ১১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী
- ঢাবি উপাচার্য পদের আলোচনায় দুই নারী শিক্ষক
- কে হচ্ছেন ঢাবির পরবর্তী উপাচার্য, আলোচনায় ৬ অধ্যাপকের নাম
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য যেভাবে আবেদন করবেন
- সুপার এইটে পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড, যেভাবে লাইভ দেখবেন
- বিএসইসি'র বাঁধা, ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না তালিকাভুক্ত কোম্পানি
- দুর্ঘটনার কবলে মেসুত ওজিল ও বিলাল এরদোয়ানের গাড়িবহর
- হেটমায়ারের ঝড়ে কপাল পুড়ল জিম্বাবুয়ের, গড়ল রেকর্ড
- ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে রবি
- রমজানের প্রথম দিনেই ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- চলছে বাংলাদেশ বনাম ভারতের জমজমাট ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন
- ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল কাল, সহজে দেখবেন যেভাবে