ঢাকা, রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২
সম্পর্ক কি বিষাক্ত? যেভাবে চিনবেন বিচ্ছেদের লক্ষণ
.jpg)
ভালোবাসার সম্পর্কে এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন তা আর মেরামতের যোগ্য থাকে না। তবুও ভালোবাসার টান ও বিভ্রান্তির কারণে অনেকেই সম্পর্কের সেই লাল সংকেতগুলো দেখতে পান না। ফলস্বরূপ, তারা একটি অস্বাস্থ্যকর সম্পর্ক বছরের পর বছর ধরে বয়ে বেড়ান।
সম্পর্কে ছোটখাটো মনোমালিন্য বা কথা কাটাকাটি স্বাভাবিক। কিন্তু যখন এই তিক্ততা মাত্রা ছাড়িয়ে যায়, তখন তা বুঝে ওঠা কঠিন হতে পারে। তাই একটি খারাপ সম্পর্কে ধুঁকে ধুঁকে বাঁচার চেয়ে সচেতনভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন যে বিচ্ছেদ প্রয়োজন নাকি সম্মিলিত চেষ্টা? নিচের লক্ষণগুলো মিলিয়ে নিন:
সম্পর্কের লাল সংকেতগুলো কী?১. বারবার অসম্মান ও অবহেলা: ভালোবাসার মূল ভিত্তি হলো সম্মান। যদি বারবার আপনার অনুভূতি, মতামত বা ব্যক্তিত্বকে ছোট করা হয়, তবে তা সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ নয়। যে সম্পর্কে অবহেলা ও অসম্মান ঘটে, সেখানে মানসিক চাপ ও হতাশা দ্রুত বাড়ে। যেখানে আপনি সম্মানিত বোধ করেন না, সেই সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
২. অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতা সীমিত করা: একটি সম্পর্কে স্বাধীনতা যেমন জরুরি, তেমনি বিশ্বাসও অপরিহার্য। যদি আপনার সঙ্গী আপনাকে সবসময় নিয়ন্ত্রণ করতে চায়—যেমন: বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, পোশাক পরা বা কাজের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত রাখে—তাহলে এটি একটি স্পষ্ট লাল সংকেত। এমন পরিস্থিতি ধীরে ধীরে মানসিক নির্যাতনের দিকে মোড় নিতে পারে।
৩. সবসময় ঝগড়া, কিন্তু সমাধান নেই: ঝগড়া সম্পর্কের একটি অংশ। তবে সমস্যার সমাধান ছাড়া বারবার একই জায়গায় আটকে থাকা সম্পর্ককে দুর্বল করে দেয়। আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা ঝগড়ার পর কোনো সমাধান খুঁজে পান না, তাদের বিচ্ছেদের সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেশি।
৪. বিশ্বাস ভেঙে যাওয়া: সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য বিশ্বাস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতারণা, বারবার মিথ্যা বলা বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করার মতো বিষয়গুলো আস্থার দেয়াল ভেঙে দেয়। বিশ্বাসহীন সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদে কেবল মানসিক যন্ত্রণা বাড়ায়। সঙ্গীকে সতর্ক করার পরেও যদি সে বারবার আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তাহলে সেই সম্পর্ক আপনার জন্য ভালো কিনা, তা ভেবে দেখুন।
৫. শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন: এটি সবচেয়ে স্পষ্ট এবং বিপজ্জনক লাল সংকেত। শারীরিক, মানসিক বা মৌখিক—যে কোনো ধরনের নির্যাতনই হোক না কেন, তা কখনো মেনে নেওয়া উচিত নয়। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত, নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা দীর্ঘমেয়াদে বিষণ্ণতা, উদ্বেগ এবং আঘাতজনিত মানসিক চাপে ভোগেন।
প্রতিটি সম্পর্কেই উত্থান-পতন থাকে। তবে যদি আপনি নিয়মিত কষ্ট পান, নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলেন বা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে ভেবে দেখার সময় এসেছে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেষ্টা তখনই মূল্যবান, যখন দু'জনই সমানভাবে চেষ্টা করেন। অন্যথায়, নিজেকে বাঁচিয়ে এগিয়ে যাওয়া হতে পারে আপনার জীবনের সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে শেয়ারবাজারের খান ব্রাদার্স
- দুই খবরে আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ শেয়ারের চমক
- মূলধন ঘাটতিতে দুই ব্রোকারেজ হাউজ, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- চলতি বছর শেয়ারবাজারে আসছে রাষ্ট্রায়াত্ব দুই প্রতিষ্ঠান
- সাকিবের মোনার্কসহ ৮ ব্রোকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
- হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে প্রতারণা, বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করল ডিএসই
- বিএসইসির নতুন মার্জিন বিধিমালার খসড়া অনুমোদন
- বিমা আইন সংস্কার: বিনিয়োগ ও আস্থায় নতুন দিগন্ত
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির ১৫ লাখ শেয়ার কেনার ঘোষণা
- কোম্পানির অস্বাভাবিক শেয়ারদর: ডিএসইর সতর্কবার্তা
- মার্জারের সাফল্যে উজ্জ্বল ফার কেমিক্যাল
- তিন শেয়ারের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি, ডিএসইর সতর্কবার্তা
- শেয়ারবাজারে রেকর্ড: বছরের সর্বোচ্চ দামে ১৭ কোম্পানি
- শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তির পর প্রথম ‘নো ডিভিডেন্ড’
- ব্যাখ্যা শুনতে ডাকা হচ্ছে শেয়ারবাজারের পাঁচ ব্যাংককে