ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
সিদ্ধান্তের দুয়ারে জাতীয় ঐকমত্য: আলোচনায় রাজনীতি
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন আগামী সপ্তাহে আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের পদ্ধতি নির্ধারণ করতে। আজ শুক্রবার জাতীয় সংসদের এলডি হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
তিনি বলেন, “ঐকমত্যের ভিত্তিতে রচিত এবং প্রত্যাশিত স্বাক্ষরিত সনদের বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতি কী হবে তা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যে কমিশন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আবার বৈঠকে বসবে।”
ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে আরো জানানো হয়, প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের বর্ষপূর্তির দিনে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়, যাতে আলোচনার সার্বিক অগ্রগতি জানানো যায়।
আলী রীয়াজ বলেন, “গত দুই পর্বের আলোচনায় একটি কাঙ্ক্ষিত জাতীয় সনদ প্রণয়নের লক্ষ্যে তাৎপর্যপূর্ণ সংখ্যক সংস্কার প্রস্তাবে রাজনৈতিক ঐকমত্য সম্ভব হয়েছে। আমরা আশাবাদী, এই প্রক্রিয়ায় স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি উপযুক্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।”
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। ফেব্রুয়ারির শেষে ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন সব রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। এরপর ৩৮টি দল ও জোটের কাছে ১৬৬টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশের স্প্রেডশিট পাঠানো হয় মতামতের জন্য।
এই সুপারিশগুলোর মধ্যে ছিল সংবিধান সংস্কার (৭০টি), নির্বাচন সংস্কার (২৭টি), বিচার বিভাগ (২৩টি), জনপ্রশাসন (২৬টি) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (২৭টি) সংক্রান্ত প্রস্তাব।
প্রথম পর্বের আলোচনায় ৩৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট তাদের মতামত কমিশনের কাছে পাঠায়। ২০ মার্চ থেকে ১৯ মে পর্যন্ত ৩২টি দল ও জোটের সঙ্গে ৪৪টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ৬২টি বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য অর্জিত হয়।
দ্বিতীয় পর্বে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়ে আলোচনা হয়। সেখানে ১১টি বিষয়ে সব দলের সমর্থনে জাতীয় ঐকমত্য এবং ৯টি বিষয়ে অধিকাংশ দলের মতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিছু বিষয়ে কিছু দলের ভিন্নমতও কমিশনের নথিতে সংরক্ষিত থাকবে।
কমিশন জানায়, সংবিধান সংস্কার কমিশন ছাড়া অন্য পাঁচটি কমিশনের দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ ইতোমধ্যে সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সবশেষ ৩ আগস্ট সংসদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে কমিশনের সদস্যদের বৈঠকে আলোচ্য বিষয়গুলো পর্যালোচনা করা হয়। সেই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, কমিশন পর্যায়ক্রমে বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং বাস্তবায়নের পদ্ধতি চূড়ান্ত করবে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি