ঢাকা, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
ভোটের চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে যেদিন
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের (২০২৬) ফেব্রুয়ারি মাসেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই ঘোষণা দেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করেছে।
প্রধান উপদেষ্টার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ঘোষণাকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, এর মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক অচলাবস্থার অবসান ঘটবে এবং গণতন্ত্রে উত্তরণের পথ সুগম হবে।
প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার পরপরই তাঁর কার্যালয় থেকে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) চিঠি দিয়ে রমজান মাস শুরুর আগেই, অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারির দিকে রোজা শুরু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে, নির্বাচনটি ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই সম্পন্ন করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে এবং ১২ ফেব্রুয়ারিকে একটি সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারের চিঠি পাওয়ার আগেই তাঁরা নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছেন। বুধবার নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকলেও আমাদের প্রস্তুতি এগিয়ে যাচ্ছে।"
নির্বাচনের সময় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে। বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দল তাদের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরির কাজ করছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ শুরু করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নির্বাচনটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি নির্বাচন হতে চলেছে, যেখানে তরুণ ভোটাররা একটি বড় নিয়ামক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। এই সরকার বিভিন্ন খাতে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনার পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও তাঁর ভাষণে একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- একাদশ শ্রেণির ভর্তির ফল প্রকাশ আজ, যেভাবে দেখবেন
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন ১২ অক্টোবর পর্যন্ত
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৫ সেপ্টেম্বর)
- আরও ৯০ দিন মেয়াদ বাড়ল ডাকসুর
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি