ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
প্রতীক্ষার অবসান, মঙ্গলবার দেশের দীর্ঘতম রেলসেতুর উদ্বোধন
ডুয়া ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দেশের দীর্ঘতম যমুনা রেল সেতু। এই সেতু ঢাকার সাথে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ আরও সহজ করবে। ৫০টি পিলারের উপর ৪৯টি স্প্যান দিয়ে নির্মিত ডাবল লেনের এই সেতু, ট্রেনকে মাত্র সাড়ে তিন মিনিটে যমুনা নদী পার করতে সক্ষম করবে।
যদিও সেতুটি ডাবল লেনের তবুও বর্তমান সময়ের জন্য শুধুমাত্র সিঙ্গেল লেন চালু থাকায় সেতুটির পূর্ণ সুফল যাত্রীদের জন্য তত দ্রুত পাওয়া যাবে না। এই বিষয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে ডাবল লেনের রেললাইন স্থাপন করা হবে, যা যোগাযোগ, বাণিজ্য ও অর্থনীতির নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।
সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে রেলপথ বিভাগ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে যমুনা রেল সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জ পশ্চিম প্রান্তে সয়দাবাদ রেলস্টেশন পর্যন্ত অতিথিরা ট্রেনে যাতায়াত করবেন। এরপর ১১টা ৪০ মিনিটে সয়দাবাদ রেল স্টেশনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পরে দুপুর ১২টায় অতিথিরা আবার ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশনে ফিরে আসবেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন জানান, নতুন সেতুর মাধ্যমে ট্রেন পারাপারের সময় আগের তুলনায় অনেক কমে যাবে তবে ডাবল লেনের সুবিধা পেতে কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে চিফ ইঞ্জিনিয়ার তানভীরুল ইসলাম বলেন, সেতুটিতে নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে ভবিষ্যতে এটি রং করার প্রয়োজন হবে না। এই সেতু দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলকে ঢাকার সাথে সংযুক্ত করবে।
ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া জানান, সেতু দিয়ে ট্রেন ১২০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করতে পারবে তবে উদ্বোধনের দিন থেকে প্রথম পর্যায়ে ৯০ কিলোমিটার গতিতে চলবে, যার ফলে যমুনা পার করতে সাড়ে ৩ মিনিট সময় লাগবে। এর আগে যমুনা সেতু দিয়ে ট্রেন পার করতে প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগতো।
প্রকল্পের নকশা ২০১৬ সালে প্রণয়ন করা হয় এবং সেতুর নির্মাণ ব্যয় প্রথমে ৯,৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরে তা ১৬,৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় বৃদ্ধি পায়। ২৭.৬০% অর্থায়ন দেশীয় এবং ৭২.৪০% অর্থায়ন জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ দিয়েছে।
১৯৯৮ সালে যমুনা বহুমুখী সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়। কিন্তু ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দিলে ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়। এই সমস্যার সমাধানে সরকার আলাদা একটি রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি সেতুর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ৪.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট এই রেল সেতু দেশের প্রথম ডাবল ট্রাক ডুয়েল গেজ সেতু হিসেবে পরিচিত।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের