×

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩

 শিক্ষকদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী 

২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৫ ১৫:৫০:১৩

 শিক্ষকদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিলেন শিক্ষামন্ত্রী 

নিজস্ব প্রতিবেদক: এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা শিক্ষকদের শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে ৩০৭৯ শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেল। তাহলে তো প্রশ্ন ওঠে-এত কীভাবে বাড়লো? এখন কি এ পরীক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে না? যে শিক্ষক পরীক্ষকরা খাতা ঠিকমতো দেখেননি, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তাদের শাস্তির মুখে পড়তেই হবে।’

আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘বইগুলো সময়মতো যায় কিনা, সেটা নিয়ে আমরা অনেক ব্যস্ত রয়েছি। অনেক ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্বে এসেছি। দুর্নীতিতে যখন সব জর্জরিত, আমরা তখন এসেছি। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট দূর করার প্রতিশ্রুতিও দেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সেশনজট থাকবে না। আমি চাই, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেক্সট রেজাল্টও যেন ভালো হয়। শিক্ষার্থীরা পাস করে আর বেকার থাকবে না। একই সঙ্গে ক্লাসরুম মনিটরিং করতে হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলাম ঠিক করতে হবে। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী কোর্স চালু করতে হবে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।’

ল কলেজের বাড়তি ফি আদায়ের প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘পত্রিকায় দেখলাম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রচুর আয় করছে। ল কোর্সের ফরম ফিলাপের ফি দ্বিগুণ-তিনগুণ করা হয়েছে। কেন? জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কী টাকা আয় করা এবং বাড়ানোর জন্য? টাকার এত প্রয়োজন কেন? শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি করা চলবে না। আমিও ট্রিগার টানতে জানি। সব সমস্যার সমাধান করবোই।’

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথমবারের মতো ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড চালু করেছে। অনুষ্ঠানে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় এবং অতিথিরা তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত