ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
মাধ্যমিকের মতো প্রাথমিকেও সমান গুরুত্ব চান ববি হাজ্জাজ
নিজস্ব প্রতিবেদক: মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া হলে প্রাথমিকের কৃতী শিক্ষার্থীদেরও একই সুবিধার আওতায় আনা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলম, ইরেজার ও শার্পনারের মতো প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মিলনায়তনে ‘প্রমাণ থেকে পদক্ষেপ : বিদ্যালয় পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণার ফল প্রকাশ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ এসব কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, মাধ্যমিকে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ৬০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী শিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের কাছে ল্যাপটপ অ্যাবসলিউটলি নেসেসারি (অত্যাবশ্যকীয়) আইটেম নয়। তবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের শিক্ষার জন্য খাতা, কলম, ইরেজার ও শার্পনার অ্যাবসলিউটলি নেসেসারি আইটেম।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য যদি ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করা যায়, তাহলে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ নিশ্চিত করতেও একই ধরনের গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাঁর ভাষায়, ‘ওনারা যদি ৬০০ নিতে পারেন, আমাদের ৬০০ দেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত।’
অনুষ্ঠানে ক্যাম্পেইন ফর পপুলার এডুকেশনের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধুরী বলেন, বিদ্যালয় পর্যায়ের উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় শিশুদের কীভাবে ডিভাইসমুখী না করে বইমুখী করা যায়, সে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ইউনিসেফ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জিলিয়ান মেলসপ বলেন, বাংলাদেশ সরকার প্রাথমিক শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ালেও শিশুদের পড়ার ও গাণিতিক মৌলিক দক্ষতা অর্জনে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে স্কুল লেভেল ইমপ্রুভমেন্ট প্ল্যান-এর কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি। সব স্কুলের ভৌগোলিক অবস্থান ও চাহিদা এক না হওয়ায় সার্বজনীন বরাদ্দের পরিবর্তে দরিদ্র, দূরবর্তী ও প্রতিবন্ধী শিশুদের অগ্রাধিকার দিয়ে সমতাভিত্তিক ও সময়মতো অর্থায়ন নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না। প্রধান শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির স্বচ্ছতা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ দিতে হবে। এর মাধ্যমে স্লিপ যেন কেবল অর্থ খরচের মাধ্যম না হয়ে শিশুদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশে শিক্ষার মূল ফলাফল অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিচার্চ সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. হোসাইন জিল্লুর রহমান। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ইউনিসেফের এডুকেশন স্পেশালিস্ট জয় মিলান মালার, প্রাইমারি শিক্ষার প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এর পরিচালক মিরাজুল ইসলাম উকিল এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশ-এর চিফ অব এডুকেশন দীপা শঙ্কর।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- ১১-২০ গ্রেডের চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ছে
- চলতি মাসে টানা চার দিনের ছুটির সুযোগ
- বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের ভাইভার তারিখ প্রকাশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১১ সেপ্টেম্বর)
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা বিষয়ক `NAT-Test`সেবা চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত
- নারী এশিয়া কাপ সেমিফাইনাল: কবে, কখন কোন দলের ম্যাচ
- ফের ব্যালন ডি’অরের তালিকায় মেসি
- স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে মাহমুদা মিতু
- মাধ্যমিকের সব শিক্ষকদের জরুরি নির্দেশনা মাউশির