ঢাকা, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বর্ষায় স্যাঁতসেঁতে বিছানা শুকনো রাখার সহজ উপায়
ডুয়া ডেস্ক: বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ঘরের বিভিন্ন জিনিসে সহজেই স্যাঁতসেঁতে ভাব তৈরি হয়। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে বিছানা, চাদর ও বালিশে। এতে ঘুমের আরাম নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধ, ছত্রাক, অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। তবে কয়েকটি সহজ অভ্যাস অনুসরণ করলে বর্ষার সময়েও বিছানা রাখা সম্ভব শুকনো, পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক।
রোদ উঠলেই আলো-বাতাস ঢুকতে দিন
বর্ষার দিনে যখনই রোদের দেখা মিলবে, তখন শোবার ঘরের দরজা-জানালা খুলে আলো-বাতাস চলাচলের সুযোগ করে দিন। এতে ঘরের জমে থাকা আর্দ্রতা কমে। ভালো রোদ থাকলে চাদর, বালিশ ও তোশক বারান্দা বা রোদ পড়ে এমন স্থানে মেলে দিলে ভেজাভাব অনেকটাই দূর হয়।
আর্দ্রতা কমাতে ব্যবহার করুন ঘরোয়া উপকরণ
তোশকের অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও দুর্গন্ধ দূর করতে সপ্তাহে একবার এর ওপর বেকিং সোডা ছড়িয়ে প্রায় এক ঘণ্টা রেখে পরে ব্রাশ বা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন। এতে অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষিত হওয়ার পাশাপাশি দুর্গন্ধও কমে।
চাদর ও বালিশ সংরক্ষণের স্থানে সিলিকা জেল প্যাকেট অথবা সাধারণ চক রাখা যেতে পারে। এগুলো বাতাসের জলীয় বাষ্প শোষণ করে কাপড়কে তুলনামূলকভাবে শুকনো ও সতেজ রাখতে সহায়তা করে।
ইলেকট্রনিক যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার
ঘরে এসি থাকলে বর্ষাকালে ড্রাই মোড ব্যবহার করা কার্যকর হতে পারে। এটি ঘরের অতিরিক্ত আর্দ্রতা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ফ্যান মাঝারি গতিতে চালালে বাতাস চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং স্যাঁতসেঁতে ভাবও কমে।
ব্যবহারের আগে ইস্ত্রি করুন
বর্ষায় ধোয়া চাদর বা বালিশের কভারে সামান্য ভেজাভাব থাকলে ব্যবহারের আগে গরম ইস্ত্রি করে নেওয়া ভালো। এতে কাপড়ের ভেতরের আর্দ্রতা বাষ্প হয়ে বেরিয়ে যায় এবং বিছানা থাকে আরও সতেজ।
এ সময় সিনথেটিক কাপড়ের পরিবর্তে পাতলা সুতির চাদর ব্যবহার বেশি আরামদায়ক। সুতি কাপড় সহজে বাতাস চলাচল করতে দেয় এবং তুলনামূলকভাবে কম স্যাঁতসেঁতে অনুভূতি তৈরি করে।
ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে বাড়তি সতর্কতা
বর্ষাকালে ঘরের ভেতরের গাছপালা আর্দ্রতা বাড়াতে পারে। তাই সম্ভব হলে ইনডোর প্ল্যান্ট বারান্দা বা ছাদে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া ঘরের ভেতরে কাপড় শুকাতে হলে আগে যতটা সম্ভব পানি ঝরিয়ে বা ইস্ত্রি করে তারপর শুকাতে দিলে ঘরের পরিবেশ অতিরিক্ত ভেজা হয়ে ওঠে না।
তোশকে ছত্রাক হলে কী করবেন
বর্ষার আর্দ্র আবহাওয়ায় তোশক বা ম্যাট্রেসে ছত্রাক জন্মাতে পারে। এসব ছত্রাক থেকে অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট ও ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
ভিনেগার ও বেকিং সোডায় দূর করুন ফাঙ্গাস
ছত্রাক আক্রান্ত স্থানে সাদা ভিনেগার স্প্রে করে প্রায় এক ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর ওই জায়গায় বেকিং সোডা ছড়িয়ে কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। পরে ব্রাশ বা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করলে আর্দ্রতা ও দুর্গন্ধ কমে আসে।
এ ছাড়া সামান্য তরল ডিটারজেন্ট পানির সঙ্গে মিশিয়ে ফেনা তৈরি করে নরম ব্রাশ বা স্পঞ্জ দিয়ে ছত্রাকের দাগ পরিষ্কার করা যায়। এরপর পানিতে অল্প অ্যান্টিসেপটিক মিশিয়ে স্থানটি মুছে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
পরিষ্কার করার পর তোশক কয়েক ঘণ্টা রোদে শুকানো সবচেয়ে ভালো। রোদ না থাকলে ফ্যানের বাতাসে শুকাতে হবে। প্রয়োজনে হেয়ার ড্রায়ারও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে তোশক পুরোপুরি শুকানোর আগে তার ওপর চাদর বিছানো উচিত নয়।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৮ জুলাই)
- সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন দুই কর্মকর্তা
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ আগস্ট)
- আজই নিষিদ্ধ হতে পারে ঢাবির নীল দল
- বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা
- ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
- ঢাবির সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে দুইজন আটক
- বিকাশে মিলবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া ভাতা
- জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: ঢাবি প্রো-ভিসি