ঢাকা, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩
পুরুষতান্ত্রিক ব্যবস্থাই জলবায়ু সংকটের মূল কারণ: দিয়া মির্জা
বিনোদন ডেস্ক: পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক কাঠামোকেই পরিবেশ বিপর্যয় ও জলবায়ু সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। সম্প্রতি একটি আলোচনাসভায় দেওয়া তার মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত হয়েছেন, আবার কেউ এর বিরোধিতা করেছেন।
সমালোচনার মুখে বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান আরও স্পষ্ট করেছেন দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, তার বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট পুরুষকে দায়ী করার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়নি। বরং পিতৃতান্ত্রিক ক্ষমতার কাঠামো কীভাবে পরিবেশের ক্ষতি করছে, সেটিই তিনি তুলে ধরতে চেয়েছেন।
অভিনেত্রী বলেন, “পুরুষরাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী এবং তারাই পৃথিবীতে বর্তমানে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছেন।” এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, যেহেতু বিষয়টি নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে, তাই তিনি যতটা সম্ভব সহজ ভাষায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করছেন। তার ভাষ্য, তিনি এখনও নিজের বক্তব্যে অনড় এবং পিতৃতন্ত্রকেই জলবায়ু সংকটের প্রধান কারণ হিসেবে মনে করেন।
দিয়া মির্জার মতে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে ক্ষমতা সীমিত কিছু মানুষের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল। প্রকৃতি ও সম্পদের যত্ন নেওয়ার পরিবর্তে তারা সেগুলোকে শোষণের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করেছে। ফলে পরিবেশ সংরক্ষণের পরিবর্তে প্রকৃতিকে কেবল ভোগের বস্তু হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, পিতৃতান্ত্রিক সমাজে নারীদের যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়, অনেক ক্ষেত্রেই বন, জঙ্গল, নদী, সমুদ্র এবং পরিবেশের অন্যান্য উপাদানকেও একইভাবে পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিণতি এখন স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান এবং তা আর উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।
নিজের বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে অভিনেত্রী আরও বলেন, প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং নারীর অধিকার নিয়ে যারা কথা বলেন, তাদের কণ্ঠস্বরকে দুর্বল করে দেওয়ার প্রবণতাও পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থার অংশ।
কেন তিনি পুরুষতন্ত্রের প্রসঙ্গ সামনে এনেছেন, সে বিষয়েও বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন দিয়া মির্জা। তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে আগে অনুভব করেন প্রান্তিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর নারীরা। পানি সংকট, খাদ্য ঘাটতি, বাস্তুচ্যুতি এবং জীবিকার ক্ষতির মতো সমস্যাগুলোর মুখোমুখি তাদেরই বেশি হতে হয়। অথচ পরিবেশ ও জলবায়ু–সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব এখনো খুবই সীমিত।
দিয়া মির্জা বলেন, একটি স্বাস্থ্যকর ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হলে আধিপত্যকেন্দ্রিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে সমতা, সহমর্মিতা এবং জীবনের প্রতি সম্মানকে গুরুত্ব দিতে হবে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জেনে নিন
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩১ অক্টোবর)
- নভেম্বরের শুরুতে টানা তিন দিনের ছুটি পাচ্ছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা
- এইচএসসি পুনর্নিরীক্ষণের ফল কবে, জানাল বোর্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০৩ নভেম্বর)
- ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (০১ নভেম্বর)
- সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় এনজিওতে চাকরির সু্যোগ, বেতন ২৫-৬০ হাজার
- আজকের খেলার সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- আজকের নামাজের সময়সূচি (৩০ অক্টোবর)
- এইচএসসিতে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ ঢাকা বোর্ডে, সর্বনিম্ন বরিশালে
- অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ পেলেন শিবা শানু
- ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিজয়ী মির্জা ফয়সল আমীন
- পুলিশে ১৪ হাজার নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন
- এইচএসসিতে পাস করা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবেন: শিক্ষামন্ত্রী