ঢাকা, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
‘বাহাত্তর-পঁচাত্তর’ না বুঝলে ১৬ বছরের ডিএনএ চেনা যাবে না: ফারুকী
নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, ‘বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর না বুঝলে বিগত ষোলো বছরের ডিএনএ চেনা যাবে না।’
বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই পোস্টে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ, প্রশংসা এবং কিছু পরামর্শও তুলে ধরেন।
ফারুকী লেখেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের পেছনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত অঙ্গীকার ছিল ‘২০০ ভাগ’। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ও তরুণ সদস্যের ভূমিকাও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
এরপর জাদুঘরের বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে তিনি বলেন, এ ধরনের জাদুঘরে ‘মিউজিয়াম এক্সপ্লেইনার’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষ্য, কনটেন্টের পাশাপাশি একজন দক্ষ এক্সপ্লেইনারের গল্প বলার মধ্য দিয়েই দর্শক পূর্ণাঙ্গ ও আবেগঘন অভিজ্ঞতা লাভ করেন। তবে এখনো এ ধরনের এক্সপ্লেইনার নিয়োগ না হওয়ায় তিনি দ্রুত তা সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ভিআইপি ট্যুরের সময় তিনি নিজেই এক্সপ্লেইনারের দায়িত্ব পালন করতেন।
জাদুঘর পরিদর্শনের ধারাবাহিকতা নিয়েও মন্তব্য করেন ফারুকী। তিনি বলেন, একটি সিনেমার মতোই এই জাদুঘরও শুরু থেকে ধারাবাহিকভাবে দেখা প্রয়োজন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একাত্তর, বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর, জিয়াউর রহমানের আমল, এরশাদের স্বৈরশাসন, খালেদা জিয়ার মাধ্যমে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন এবং ওয়ান-ইলেভেন-এসব ধাপ অতিক্রম করেই দর্শকের ১৬ বছরের ইতিহাসে প্রবেশ করার কথা।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে জাদুঘরের মাঝখান থেকে প্রদর্শনী দেখানো হয়েছে দেখে তিনি ‘হার্টব্রেক’ অনুভব করেছেন। পরে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে সময় নিয়ে আবারও একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডেড ট্যুর করার অনুরোধ জানান, যাতে জাদুঘরের সম্ভাবনাকে আরও ভালোভাবে উপলব্ধি করা যায়।
ফারুকী তার পোস্টে জানান, তিনি আশা করেছিলেন ‘বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর’, ‘ফ্যাসিজমের কালে সাংবাদিকতা’, ‘জুলাইয়ে প্রবাসী’ এবং ‘জুলাইয়ের আত্মা মফস্বল’-এই বিষয়গুলো পৃথক সেকশন হিসেবে প্রস্তুত থাকবে। তবে সেগুলো এখনো স্বাধীন সেকশন হিসেবে গড়ে ওঠেনি। তার ভাষ্য, বিভিন্ন কারণে গত কয়েক মাস কিউরেশন টিম কাজ করতে পারেনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এসব বিষয় আলাদা সেকশন হিসেবে যুক্ত হবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর না বুঝলে বিগত ষোলো বছরের ডিএনএ চেনা যাবে না।’
পোস্টের শেষাংশে ফারুকী উল্লেখ করেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের উপকরণ সংগ্রহে বহু ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে এবং নানাভাবে সহযোগিতা করেছে। তবে তাদের অনেককেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে তিনি শুনেছেন। তাদের যথাযথ সম্মান জানানো প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ আগস্ট)
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা
- ঢাবির সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে দুইজন আটক
- দেশের বাজারে ফের বেড়েছে সোনার দাম
- ‘গুলশানের চামেলি’ তে যৌনকর্মীর দালাল অ্যাডলফ খান
- ভাতা-উপবৃত্তির আবেদন শুরু, জেনে নিন পদ্ধতি
- আজ শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- কবে শুরু হচ্ছে ঢাবির ভর্তি আবেদন, জানাল কর্তৃপক্ষ
- নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে, যা জানালেন অর্থমন্ত্রী
- জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে যেতে টিকিট কাটবেন যেভাবে
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২৩ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হলো