ঢাকা, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১৭:১৭:০৯

মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী ৩০ এপ্রিল জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সারাদেশে মাদক, জুয়া ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের সমন্বিত অভিযান শুরু করবে সরকার। যুবসমাজকে এসব ক্ষতিকর কার্যক্রম থেকে রক্ষা করতে এ অভিযানে কঠোর অবস্থান ও ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ ঘোষণা দেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে চলা অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন ফারুক রাজধানীর অভিজাত এলাকায় আবাসিক ভবন ও রেস্টুরেন্টের আড়ালে অবৈধ সিসা লাউঞ্জ পরিচালনার বিষয়টি উত্থাপন করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর জবাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেন।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর থাকবে এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি জানান, ৩০ এপ্রিল সংসদের অধিবেশন শেষ হওয়ার পরই দেশব্যাপী সমন্বিত অভিযান শুরু হবে। যুবসমাজকে রক্ষা করতে এটি অত্যন্ত জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি ও কিছু প্রশাসনিক কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো এলাকায় অবৈধ সিসা বার ও মাদক স্পট গড়ে উঠেছিল। বর্তমানে এসব স্থানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। গত ১৬ ও ২০ এপ্রিল রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ সিসা ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, কেউ যেন নাম পরিবর্তন করে বা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব ব্যবসা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কোনো পুলিশ সদস্য এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে প্রমাণ পাওয়া মাত্রই তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনেক অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় ট্রেড লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলো চিহ্নিত করে বন্ধের প্রক্রিয়া চলছে। ৩০ এপ্রিলের পর শুরু হতে যাওয়া বিশেষ অভিযানে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একসঙ্গে কাজ করবে বলেও সংসদে আশ্বস্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

৩ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে প্রাইম ব্যাংক; চাঙ্গা হবে এসএমই ও কৃষি খাত

৩ কোটি ডলার ঋণ পাচ্ছে প্রাইম ব্যাংক; চাঙ্গা হবে এসএমই ও কৃষি খাত

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বেসরকারি খাতের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংক পিএলসি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন সংস্থা ‘ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট’... বিস্তারিত