ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
ইদের পরেই শুরু হচ্ছে ২৫ হাজার শিক্ষকের ৫৬ দিনের প্রশিক্ষণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শ্রেণিকক্ষের আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন শিক্ষকদের জন্য ৫৬ দিনের টানা বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ইদুল ফিতরের ছুটি শেষ হতেই দেশজুড়ে প্রায় ২৫ হাজার ২৪০ জন শিক্ষক এই বিশাল প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাচ্ছেন। মূলত কার্যকর পাঠদান এবং শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় পরিচালিত ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন (লেইস)’ প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মেয়াদী এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করা। প্রকল্পের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকেই শিক্ষকদের এই বেসিক ট্রেনিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
জানা গেছে, এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া অনূর্ধ্ব ৪০ বছর বয়সী শিক্ষকদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। সারাদেশের মোট ২৮ হাজার ৮০০ জন নতুন শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ইতোমধ্যে ৩ হাজার ৬৪০ জন তাদের কোর্স সম্পন্ন করেছেন। অবশিষ্ট শিক্ষকদের দেশের ১৪টি সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে (টিটিসি) মোট ৩৯টি ব্যাচে ভাগ করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে ১১টি কলেজে তিনটি করে ব্যাচ এবং বাকিগুলোতে এক বা একাধিক ব্যাচে সকাল সাড়ে ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ চলবে।
প্রশিক্ষণকালীন শিক্ষকদের আর্থিক ও আবাসিক সুবিধাও নিশ্চিত করা হয়েছে। টানা ৫৬ দিনের এই কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা থাকা-খাওয়ার সুবিধার পাশাপাশি দিনপ্রতি ৬০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘নতুন শিক্ষকদের মান উন্নয়নে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই চলতি মাসের শেষের দিকে ট্রেনিং শুরু করা হতে পারে। প্রতিধাপে ৩৯টা ব্যাচের মাধ্যমে মাধ্যমিকের শিক্ষকদের ট্রেনিং দেওয়া হবে।’
তবে এই দীর্ঘ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সফল করতে বেশ কিছু প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক সংকটের অজুহাতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করেন। এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে গিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। টানা ৫৬ দিনের প্রশিক্ষণে প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক সংকট দেখা দেয়, এ কারণে তাদের আসতে দেওয়া হয়না। সমস্যা সমাধানে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও টিউশনি বা ব্যক্তিগত কাজের কারণে লম্বা এ ট্রেনিংয়েও আসতে চান না শিক্ষকরা। সবমিলিয়ে শিক্ষকদের ট্রেনিংয়ের আওতায় আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি