ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ফুল-ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা, জানুন আবেদনের নিয়ম
ডুয়া ডেস্ক: উচ্চশিক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশগুলোর একটি অস্ট্রেলিয়া। প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী দেশটিতে পাড়ি জমান সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন স্কলারশিপ নিয়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং মর্যাদাপূর্ণ হলো ‘রিসার্চ ট্রেনিং প্রোগ্রাম (আরটিপি)’ স্কলারশিপ। অস্ট্রেলিয়া সরকারের শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত এই স্কলারশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দেশটির শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সম্পূর্ণ বিনা খরচে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ পাচ্ছেন।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মেধাবী শিক্ষার্থীরা এই সরকারি স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারেন। এটি মূলত ‘মাস্টার্স বাই রিসার্চ’ এবং পিএইচডি পর্যায়ের গবেষণার জন্য প্রদান করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ও মেধা অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন। সাধারণত স্নাতকোত্তরের মেয়াদ ২ বছর এবং পিএইচডির মেয়াদ ৩ থেকে ৪ বছর হয়ে থাকে। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার স্বীকৃত প্রায় ৪২-৪৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই আরটিপি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
সুযোগ-সুবিধা
শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ টিউশন ফি বা পড়ার খরচ মওকুফ করা হবে।
জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য বার্ষিক উপবৃত্তি বা স্টাইপেন্ড (বর্তমানে প্রায় ৩২,০০০ থেকে ৩৫,০০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার, বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভিন্ন হতে পারে) প্রদান করা হবে।
ওভারসিজ স্টুডেন্ট হেলথ কভার বা ওএসসিএইচ (OSHC) এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা।
গবেষণার প্রয়োজনে বিশেষ ক্ষেত্রে ভ্রমণ ও গবেষণা-সংক্রান্ত অতিরিক্ত ভাতা পাওয়ার সুযোগ।
আবেদনের যোগ্যতা
স্নাতকোত্তরের আবেদনের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সমমানের চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
পিএইচডি আবেদনের জন্য গবেষণামূলক স্নাতকোত্তর (Masters by Research) বা সমমানের ডিগ্রি আবশ্যক।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গবেষণার পূর্ব অভিজ্ঞতা বা পাবলিকেশন থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ইংরেজি ভাষাদক্ষতা প্রমাণের জন্য আইইএলটিএস (IELTS)-এ ন্যূনতম ৬.৫ বা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্কোর প্রদর্শন করতে হবে।
এ ছাড়াও পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভর্তি নির্দেশিকা ও শর্তাবলি পূরণ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র
আবেদনকারীর পাসপোর্টের কপি এবং রঙিন ছবি।
সকল স্তরের অ্যাকাডেমিক সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট।
একটি শক্তিশালী মোটিভেশন লেটার (SOP)।
গবেষণার বিষয়বস্তুর সারসংক্ষেপ বা রিসার্চ প্রপোজাল।
কমপক্ষে দুইজন অধ্যাপকের দেওয়া রেফারেন্স লেটার।
বিস্তারিত জীবনবৃত্তান্ত বা সিভি।
ইংরেজি দক্ষতার প্রমাণস্বরূপ আইইএলটিএস বা টোয়েফল স্কোর।
আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীদের তাদের নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন পোর্টালে আবেদন করতে হবে। আবেদনকারীকে প্রথমেই একটি পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণার ক্ষেত্র বাছাই করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ভর্তির জন্য আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ যোগ্য প্রার্থীদের আরটিপি স্কলারশিপের জন্য মনোনীত করে। আরটিপি স্কলারশিপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিলেন ববি হাজ্জাজ
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যের বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- ববি হাজ্জাজের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ ঢাবি শিক্ষক, বললেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় নয়
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ববি হাজ্জাজের
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- ঈদের চামড়া বিক্রিতে হতাশ বিক্রেতারা