ঢাকা, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার আসছে নতুন মুদ্রানীতি, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
ডুয়া নিউজ: চলতি অর্থবছরের শেষ ছয় মাসের জন্য নতুন মুদ্রানীতি সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঘোষণা করা হবে। এবারের নীতিতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রিজার্ভ সুরক্ষা এবং বিনিময় হারের স্থিতিশীলতার দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। তবে সংকোচনমূলক নীতি বাস্তবায়নের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক সুদের হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত না নিতে পারে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সুদের হার বৃদ্ধির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কার্যকর হবে না। তাদের দাবি, দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যাংক ঋণের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল, যার ফলে সুদের হার বৃদ্ধি পেলে উৎপাদন খরচও বাড়ে ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পায়। এজন্য একটি দক্ষ ও ভারসাম্যপূর্ণ মুদ্রানীতির প্রয়োজন।
নতুন সরকারের নেওয়া নীতি অনুযায়ী, বাজারে টাকার প্রবাহ কমাতে সুদের হার বৃদ্ধি করা হয়েছিল, কিন্তু তার ফলাফল তেমনটা মেলেনি। গত ১০ মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের ওপরে বিরাজ করছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারির খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ১০.৭২ শতাংশে এসেছে। পূর্ববর্তী মার্চ মাসের পর থেকে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কে নামতে পারেনি, যা গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষের জন্য চাপ তৈরি করেছে। সর্বশেষ মার্চে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৮.৮৭ শতাংশে নেমে এসেছিল।
এ পরিস্থিতিতে ড. আহসান এইচ মনসুর প্রথমবারের মতো গভর্নর হিসেবে তার মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছেন। জানুয়ারি-জুন সময়ের জন্য এ নীতিটি অত্যন্ত সচেতনতার সঙ্গে প্রস্তুত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও নতুন মুখপাত্র আরিফ হোসেন জানিয়েছেন, এবারের মুদ্রানীতিতে মূল্যস্ফীতির হার কমানোকে প্রধান গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি সরকারের অন্যান্য লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধরে রাখা, বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা এবং রিজার্ভ বৃদ্ধির দিকে মনোযোগ দেওয়ার তথ্য দিয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন, নীতি সুদহার বৃদ্ধির বিষয়ে এখনো কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, তবে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়ানোর চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি বলেছেন, বাড়তি মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে এবং সরকার ইতিমধ্যে এটি কমানোর জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে তার মতে, মূল্যস্ফীতি কমাতে আরও দুই থেকে তিন মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।
নতুন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব গ্রহণের পর গত পাঁচ মাসে ৫০ ভিত্তি পয়েন্টে তিন দফা নীতি সুদহার বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা বর্তমানে ১০ শতাংশে রয়েছে। যদিও নীতি সুদহার বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর প্রমাণিত হয়নি। ফলে বাজারে সব ধরনের ঋণের সুদহার বেড়ে গেছে, যা বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কমিয়ে দিয়েছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ১১তম মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
- ১১-২০ গ্রেডের নিয়োগ পরীক্ষায় নতুন মানবণ্টন
- ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিরাজুল হক আর নেই
- নব্বইয়ের দশকের রেট্রো ছবি বানাবেন যেভাবে, জেনে নিন ১০ AI প্রম্পট
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ সেপ্টেম্বর)
- মেসির দুই সহায়তাতেও আটলান্টার সঙ্গে ড্র ইন্টার মিয়ামির
- ‘সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিলটি কোরআন-সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক’
- ফেল বিরোধীদলের ওয়াকআউট
- পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
- ‘ছয় মাসে জুলাই সনদের একটি অক্ষরও বাস্তবায়ন করেনি বিএনপি’
- মেসির ১০ নম্বর জার্সি কি অবসর নিতে পারবে?
- ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত
- ব্যালন ডি’অর ২০২৬-এর ৩০ ফুটবলারের তালিকা প্রকাশ
- বক্তৃতায় দায় সারছে কমিশন, ধসের মুখে পড়েছে বাজার
- সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ডিজিটাল ঋণ চালু করল বাংলাদেশ ব্যাংক