ঢাকা, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
একীভূত পাঁচ ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণের সুখবর
নিজস্ব প্রতিবেদক: একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংকে বিনিয়োগ করে ক্ষতির মুখে পড়া সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য আশাব্যঞ্জক বার্তা দিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে কী ধরনের কাঠামো বা প্রক্রিয়ায় এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে, তা চূড়ান্ত করতে সময় লাগবে এবং পুরো বিষয়টি ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় অর্থ উপদেষ্টা এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ব্যাংক একীভূতকরণের সময় সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার বর্তমানে তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে। আমানতকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ রক্ষায় ৪২ হাজার কোটি টাকার জোগানসহ সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত কারিগরি ও জটিল। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নেট অ্যাসেট ভ্যালু নেতিবাচক হওয়ায় তাত্ত্বিকভাবে শেয়ারহোল্ডারদের দায় সৃষ্টি হয়। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বাজার পরিস্থিতি ও সংকেতের ওপর ভিত্তি করে শেয়ার কিনেছেন—এই বাস্তব ও মানবিক দিক বিবেচনায় রেখে তাদের কীভাবে সহায়তা করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। ব্যাংকের আর্থিক দুরবস্থার সম্পূর্ণ দায় বিনিয়োগকারীদের ওপর চাপানো যৌক্তিক হবে না বলেও তিনি মত দেন।
ক্ষতিপূরণ প্রদানের সম্ভাব্য পদ্ধতি সম্পর্কে অর্থ উপদেষ্টা জানান, এ জন্য একটি নির্দিষ্ট মডেল প্রণয়ন করা হচ্ছে, যা পরবর্তী অর্থমন্ত্রী বাস্তবায়ন করবেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে আংশিক শেয়ার প্রদান এবং অবশিষ্ট অংশের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকতে পারে। বিনিয়োগকারীদের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে পুরো প্রক্রিয়া নিখুঁত হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।
ব্যাংক খাতের সামগ্রিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একক কোনো সিদ্ধান্তে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। কাঠামোগত দুর্বলতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে। বাজারে সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং সে উদ্দেশ্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চলছে।
দীর্ঘমেয়াদে টেকসই অর্থনীতির জন্য ব্যাংকনির্ভরতা কমিয়ে শেয়ারবাজার ও বন্ড মার্কেটকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা। তাঁর মতে, ইকুইটি পার্টিসিপেশন ও বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন ছাড়া মজবুত অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। চলমান সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী সরকার ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নিলে অর্থবছরভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এএসএম/
শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- BANZI নির্বাচন: জয়-পরাজয়ের বাইরে কমিউনিটির আমানত ও প্রত্যাশা
- ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের ডিসিইউতে স্থানান্তরের রোডম্যাপ প্রকাশ
- মায়ের সঙ্গে ইয়ামালের নাচের ভিডিও ভাইরাল
- প্রজ্ঞাপনের আগে পে স্কেলের বেতন তালিকা
- ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরি, আবেদন ৩০ আগস্ট পর্যন্ত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল আজ
- পে স্কেল নিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তি দিল অর্থ মন্ত্রণালয়
- তেজগাঁও কলেজে মঞ্চে উঠছে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে দুই পদে চাকরির সুযোগ
- এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির আবেদন শুরু ৩০ আগস্ট
- জুলাই থেকেই কার্যকর নতুন পে স্কেল, বকেয়া পাবেন যেভাবে
- এলএলবি প্রথম পর্বের ফরম পূরণ শুরু বৃহস্পতিবার
- রংপুরের হত্যাকাণ্ডে যৌক্তিক সময়ে অপরাধীরা গ্রেপ্তার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বাসায় ঢুকে মডেলকে কুপিয়ে হ'ত্যা
- ৩৫০০ টাকায় পর্নোগ্রাফির ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দিতেন সুমাইয়া