ঢাকা, বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২
মাহদী আমিন
'বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছিল'
নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলীয় চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, “যারা নিজেরাই ভোট কেনে, তারাই আবার দুর্নীতির গল্প শোনায়।” তিনি অভিযোগ করেন, ভোট কেনার জন্য বিশেষ একটি দলের নেতাকর্মীরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার এবং আর্থিক প্রলোভন দেখাচ্ছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে বিএনপির অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, “ভোট চাইতে গিয়ে বিশেষ একটি দলের নেতাকর্মীরা ধর্মীয় অনুভূতির অপব্যবহার, জান্নাতের প্রলোভন, কোরআন শরিফে শপথ করানো, এমনকি বিকাশ নম্বরে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে বেড়াচ্ছে। যারা নিজেরাই টাকা দিয়ে ভোটারদের ভোট কেনার চেষ্টা করে যাচ্ছে, আবার তারাই যখন দুর্নীতির গল্প শোনায়, সেটি তাদের তথাকথিত সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
বিএনপির শাসনামলে দুর্নীতির তথাকথিত ‘বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ বয়ান নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি, একটি নির্দিষ্ট দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা নতুন করে ফ্যাসিবাদী আমলের পুরোনো মিথ্যা ও প্রতারণামূলক ‘দুর্নীতির বিশ্বচ্যাম্পিয়ন’ বয়ান প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছেন। অথচ এটি জাতীয়ভাবে প্রমাণিত যে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির হার ধারাবাহিকভাবে কমেছে।”
পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, “২০০১ সালের অক্টোবরে বিএনপি যখন সরকার গঠন করে তখন একটি প্রতিষ্ঠানের সূচকে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৪, যা ১৯৯৬-২০০১ পর্যন্ত শাসনক্ষমতায় থাকা তৎকালীন রাজনৈতিক দলটির দুর্নীতির প্রতিফলন। পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির প্রতি বিএনপির জিরো টলারেন্স এবং সু শাসনের ফলে এটি ক্রমশ উন্নতি হয়। সবশেষ বিএনপি ২০০৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব ছাড়ার সময় স্কোর ২.০ তে উন্নীত হয়। যে দল ধারাবাহিকভাবে দুর্নীতি দমনে শক্তিশালী ভূমিকা রেখেছে, এমনকি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন পর্যন্ত গঠন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে এটি পরিকল্পিত অপপ্রচার।”
বিগত জোট সরকারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “খুবই বিস্ময়কর যে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ওই দলটি নিজেই সরকারের অংশ ছিল। তাদের দুইজন মন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য ছিলেন। সরকারে থাকা অবস্থায় তখন এ বিষয়ে তাদের কোনো মন্তব্য শোনা যায়নি। কিন্তু বর্তমানে তারা নির্বাচনী মাঠে এসে ফ্যাসিবাদি প্রপাগাণ্ডার এই ধারাবাহিকতাকে ধরে রেখেছে। আমরা ওই দলটির এই ভূমিকাকে রাজনৈতিক দ্বিচারিতা হিসেবে দেখছি।”
বিএনপির চেয়ারম্যন তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সফর নিয়ে মাহদী আমিন বলেন, “বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গতকালের নির্বাচনী সফরে ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও উত্তরার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে ধানের শীষের পক্ষে এক ঐতিহাসিক গণজোয়ার সৃষ্টি করেছেন। বিপুল জনসমাগমের কারণে সফরসূচিতে কিছুটা বিলম্ব ঘটলেও গভীর রাত পর্যন্ত সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ও উৎসবমুখর উপস্থিতি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, তারেক রহমানই আজ বাংলাদেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এই অভূতপূর্ব জনসমর্থন একটি গণতান্ত্রিক, সমতাভিত্তিক ও কল্যাণমুখি রাষ্ট্রগঠনে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নতুন করে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।”
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিপিএল ২০২৬ ফাইনাল: রাজশাহী বনাম চট্টগ্রাম-খেলাটি সরাসরি দেখুন
- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ, তালিকা দেখুন এখানে
- ইপিএস প্রকাশ করেছে তিন কোম্পানি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে এপেক্স ট্যানারি
- ইপিএস প্রকাশ করেছে শাহজীবাজার পাওয়ার
- ইপিএস প্রকাশ করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং
- শেয়ারবাজারে সূচক হ্রাস, বিনিয়োগকারীদের মনোবল অক্ষুণ্ণ
- ইপিএস প্রকাশ করবে ৫৮ কোম্পানি
- নবম পে-স্কেল ২০২৫: ২০টি গ্রেডের পূর্ণাঙ্গ বেতন তালিকা প্রকাশ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইনটেক
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ফলাফল প্রকাশ
- ইপিএস প্রকাশ করেছে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল
- ইপিএস প্রকাশ করেছে বঙ্গজ
- কর্পোরেট পরিচালকের ১৫ লাখ শেয়ার বিক্রি সম্পন্ন
- ইপিএস প্রকাশ করেছে সিভিও পেট্রোক্যামিকেল