×

ঢাকা, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

জনমুখী পুলিশিংয়ে আস্থা ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

২০২৬ সেপ্টেম্বর ৩০ ১৯:০৪:২৮

জনমুখী পুলিশিংয়ে আস্থা ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর আহ্বান আইজিপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে পেশাদারিত্বের পাশাপাশি মানবিকতা ও সেবার মানসিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হলে ‘কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের প্রধান ভিত্তি জনগণের আস্থা অর্জন করা এবং সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারত্বে পরিণত করা। জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আওতায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালনার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সততা, ন্যায়সংগত আচরণ ও পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে জনগণকে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল কমিউনিটি গড়ে তুলতে জনগণের সঙ্গে পুলিশের অংশীদারত্ব আরও জোরদার করতে হবে। পারস্পরিক আস্থা অর্জনের মধ্য দিয়ে অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কমিউনিটি পুলিশিংকে কার্যকর করতে নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে আইজিপি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় বাছাই করে সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত ‘প্রথম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’ সারাদেশে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, কাবাডি বাংলাদেশের জাতীয় খেলা ও গৌরবের অংশ। এ ধরনের উদ্যোগের মধ্য দিয়ে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পুলিশের পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর অতিরিক্ত আইজি কাজী মো. ফজলুল করিম। তিনি ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন: একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

মূল প্রবন্ধে বিদ্যমান অভিজ্ঞতা ও অর্জনের আলোকে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর ও জনসম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রবন্ধটির ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এবং পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ভাইস-রেক্টর ড. মো. আব্দুস সোবহান। আলোচনায় তাঁরা কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরেন।

কর্মশালায় মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা, মতামত ও সুপারিশ একত্র করে বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকরভাবে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য বাস্তবমুখী ও বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশমালা প্রণয়ন করা হবে।

এ কর্মশালায় বাংলাদেশ পুলিশের কমিউনিটি অ্যাফেয়ার্স অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা অংশ নিচ্ছেন।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩০ সেপ্টেম্বর)

আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৩০ সেপ্টেম্বর)

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের বাজারে সব ধরনের স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি... বিস্তারিত