ঢাকা, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় পাকিস্তান অংশগ্রহণের সিগন্যাল
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গাজার জন্য গঠিত ‘বোর্ড অব পিসে’ পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করার আমন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে। রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বোর্ডে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি সাংবাদিকদের জানান, জাতিসংঘের কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে গাজায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান বোর্ড অব পিসের মাধ্যমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
গাজার ওপর ইসরায়েলের চলমান দুই বছরের ধ্বংসাত্মক বোমাবর্ষণ এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপে এই বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প ইতিমধ্যেই নিজেকে বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের বিতর্কিত ধারণা সামনে এনেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ৬০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে বোর্ডে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এতে তুরস্ক, মিসর, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, মরক্কো, ব্রিটেন, জার্মানি, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া উল্লেখযোগ্য। তবে গাজার নাম বোর্ডের সনদে সরাসরি উল্লেখ না থাকায় ট্রাম্পকে জাতিসংঘের বিকল্প কাঠামো তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
বোর্ডের নির্বাহী প্যানেলে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক শীর্ষ আলোচক জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানও বোর্ডে অংশ নিচ্ছেন, যদিও ইসরায়েল গাজার ওপর তুরস্কের কোনো প্রভাবকে স্বাগত দেয়নি।
নির্বাহী বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ সমন্বয়কারী সিগরিড কাগ, ইসরায়েলি-সাইপ্রাসি ধনকুবের ইয়াকির গাবে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একজন মন্ত্রী।
ফিলিস্তিনি প্রকৌশলীদের একটি কমিটি কায়রোতে প্রথম বৈঠক করেছে, যেখানে উপস্থিত ছিলেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সাবেক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের উপমন্ত্রী আলি শাআথ। তাদের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে যুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ ভূমধ্যসাগরে সরিয়ে দেওয়া এবং তিন বছরের মধ্যে গাজার ধ্বংস হওয়া অবকাঠামো পুনর্গঠন করা।
এমজে/
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম ভারতের ফুটবল ম্যাচ: সরাসরি দেখুন (LIVE)
- ঢাবি অ্যালামনাই ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা
- ঢাবি শিক্ষককে বিয়ে করলেন দীপ্তি চৌধুরী
- আজ রাত ৮ টায় ভারত বনাম বাংলাদেশের ফুটবল ম্যাচ, কোথায় ও যেভাবে দেখবেন?
- বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের ফুটবল ম্যাচ: এক ক্লিকে সরাসরি দেখুন
- ঢাবি ক্যাম্পাসে ববি হাজ্জাজকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা
- আজ বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান ম্যাচ: সরাসরি দেখবেন যেভাবে
- মাসিক ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হবে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম
- ঢাবির এসএম হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক আবদুস সালাম
- নতুন পে-স্কেলে কার বেতন কত বাড়তে পারে? আলোচনায় দুটি প্রস্তাব
- পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই: ড. নিয়াজ আহমদ
- টাইমস হায়ার ও কিউএস র্যাঙ্কিংয়ে ঢাবির জয়জয়কার
- ডিএসইতে রেকর্ড উত্থান, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বাড়ছে প্রত্যাশা
- ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কবে, জানালেন প্রতিমন্ত্রী
- আইইএলটিএস ছাড়াই আবেদন করা যাবে হার্ভার্ডের প্রোগ্রামে