ঢাকা, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের লোকসানের পাল্লা আরও ভারী হলো

২০২৬ জানুয়ারি ১৩ ১৪:৫২:২৮

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজের লোকসানের পাল্লা আরও ভারী হলো

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এখনও লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে পারেনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে কোম্পানিটি ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকা নিট লোকসান রেকর্ড করেছে। মূলত উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয়মূল্য হ্রাস এবং ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদ ব্যয়ের কারণে কোম্পানিটি মুনাফায় ফিরতে ব্যর্থ হয়েছে।

সংশোধিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদে শেয়ার প্রতি লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৯৯ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানির ক্ষতির পরিমাণ আরও বেড়ে গেছে। তবে অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো কিছুটা উন্নতি করে মাইনাস ১৩ পয়সায় এসেছে, যা পূর্ববর্তী বছর একই সময়ে মাইনাস ১ টাকা ৪৯ পয়সা ছিল।

প্রাথমিকভাবে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি ৬১ পয়সা লোকসানের তথ্য প্রকাশ করেছিল, যা পরবর্তীতে সংশোধন করে বর্তমান আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) সঙ্গে একটি বড় চুক্তি করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, কোম্পানিটি বিসিআইসির প্রয়োজনীয় ওভেন পলিপ্রোপিলিন এবং পলিথিন ব্যাগের ৫০ শতাংশ সরবরাহ করবে। তখন আশা করা হয়েছিল, এই আদেশ কোম্পানির রাজস্ব দ্বিগুণ করবে এবং মুনাফায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কিন্তু এখনও সেই আশা বাস্তবে রূপ পায়নি।

মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ ১৯৯৫ সালে বিসিআইসি ও চারজন উদ্যোক্তার যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। কোম্পানিটি মূলত সিমেন্ট, সার, লবণ, চিনি, খাদ্যশস্য ও রাসায়নিক পণ্য রাখার ব্যাগ উৎপাদন করে। গাজীপুর ও শ্রীপুরে দুটি উৎপাদন ইউনিট রয়েছে, যার একটি স্থানীয় বাজারের জন্য এবং অন্যটি রপ্তানির জন্য পণ্য তৈরি করে।

যদিও বিসিআইসি কোম্পানির প্রধান ক্রেতা, উচ্চ উৎপাদন খরচ এবং বাজারজাতকরণের নানা চ্যালেঞ্জের কারণে মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক চাপের মুখে পড়েছে।

এমজে/

শেয়ারবাজারের বিশ্লেষণ ও ইনসাইড স্টোরি পেতে আমাদের পেজ ফলো করুন।

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত