ঢাকা, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২
১০ সেনা কর্মকর্তা ট্রাইব্যুনালে, হাইকোর্ট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক: শেখ হাসিনার টানা ক্ষমতায় টিএফআই সেলে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আলোচনায় এসেছে। এ মামলায় ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেনাবাহিনীর ১০ কর্মকর্তা।
বুধবার সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে ঢাকার সেনানিবাসের বিশেষ কারাগার থেকে আসামিদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সবুজ রঙের বাংলাদেশ জেল-প্রিজন ভ্যান দিয়ে।
১০ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন- র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরকালীন), র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
পলাতক আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন এবং র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ।
আজ এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ ১৭ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে প্রসিকিউশন শুনানি পরিচালনা করবে। এর পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি উপস্থাপন করবেন, আর পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীরা থাকবেন।
সেনা কর্মকর্তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরি উপলক্ষে হাইকোর্টের মূল ফটকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল ফটকের দুই পাশে বিজিবি, র্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এপিবিএনসহ সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিতি দেখা গেছে।
গত ২৩ নভেম্বর এ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়। ওইদিন সেনানিবাসের বিশেষ কারাগারে থাকা ১০ সেনা কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হলেও আইনজীবীরা ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন করেছিলেন।
টিএফআই গুম মামলায় শেখ হাসিনার পক্ষে দাঁড়ানোর আবেদন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না। পরে তাকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ করা হয়, যদিও তিনি মৌখিকভাবে এই মামলায় লড়াই না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
আগের শুনানায় ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিয়েছেন, বিভিন্ন মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি জেলে থাকলেও হাজিরা দিতে হবে। সাবেক মন্ত্রীরাও নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন। ৮ অক্টোবর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগ আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা
- স্বামী ও সন্তানকে ঘরে আটকে রেখে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্ম/হত্যা
- ঈদের তারিখ চূড়ান্ত করল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি
- সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল ফিতর কবে, যা জানা গেল
- আপত্তিকর ভিডিও বিতর্কে হাতিয়ার ইউএনওকে ওএসডি
- ফুলবাড়ীয়ায় প্রবাসীদের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ
- শহীদ মিনারে প্রকাশ্যে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে গুলি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১৭ মার্চ)
- ঈদ সালামি কত টাকা দেবেন?
- তিন দেশে আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হলেন ড. ওবায়দুল ইসলাম
- গুঞ্জন উড়িয়ে সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু
- ঈদ উপলক্ষে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন নরেন্দ্র মোদি
- আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিলেন ঢাবি'র নতুন ভিসি
- ইউজিসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যানকে ঢাবি অ্যালামনাইয়ের শুভেচ্ছা