ঢাকা, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
গণভোটের রায় অমান্যকারীদের জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে: আখতার হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক
ডুয়া নিউজ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, গণভোটের রায় যারা মানবে না, জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটে তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা বিষয়ক সেমিনারে বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
আখতার হোসেন বলেন, কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা চূড়ান্তভাবে গণভোটের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তারা আগেও গণভোটের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। গণভোটের রায় যারা মানবেন না, তারা জনগণের ম্যান্ডেটকে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং জনগণও তাদের প্রত্যাখ্যান করবে।
তিনি জুলাই সনদের সংস্কার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। আখতার হোসেন বলেন, অনেক দল জুলাই সনদের ব্যাপারে ধোঁয়াশা তৈরি করেছে, যা সন্দেহের উদ্রেক করে। সংস্কার প্রক্রিয়া ‘সরকারের মর্জি মতন’ ভাগ হওয়ায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।
কৃষকদের অধিকারের বিষয়টি তুলে ধরে আখতার হোসেন আরও বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল গণভোটের আড়ালে কৃষকের অধিকারকে গৌণ করে তুলছে। তার মতে, গণভোট এবং কৃষকদের অধিকার দুটোই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সংস্কার ও কৃষকদের অধিকার একই সূত্রে গাঁথা। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে কৃষকরা ঠকেছে এবং ঋণের জালে আটকা পড়েছেন, অন্যদিকে নেতারা দেশের টাকা বাইরে পাচার করেছেন। আখতার প্রত্যাশা করেন, কৃষি বাঁচিয়ে রাখার মাধ্যমে নীতি-নির্ভর বাংলাদেশ তৈরি হবে।
দেশের চলমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে এনসিপির এ সদস্যসচিব বলেন, ৫ আগস্টের পরও এমন সহিংসতা-মারামারি হতাশাজনক।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, দেশে আবাদি জায়গা খালি রাখা যাবে না এবং সরকারি ও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেখানে অবশ্যই চাষাবাদ করতে হবে। তিনি সার সংকটের জন্য চোরাচালানকে দায়ী করে বলেন, বাংলাদেশের সার মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে, ফলে দেশে সারের সংকট তৈরি হয়েছে। দখলদারিত্ব ও দুর্নীতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে মাসউদ বলেন, প্রভাবশালী দখলদারদের কারণে খাল ও নদী উদ্ধার করা কঠিন। তিনি আরও বলেন, গত ৫০ বছরে গঠিত কমিশনগুলো ‘দেশকে পিছিয়ে রাখার জন্য’ দায়ী, কারণ দুর্নীতিতে সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন দেশের সাংবিধানিক সংকট এবং রাজনীতির মান নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়, কারণ এ দেশের সামাজিক আইনি ভিত্তি ব্রিটিশদের দ্বারা তৈরি হয়েছে। তিনি ছাত্র ও জাতীয় রাজনীতির বিশাল ফারাক তুলে ধরে বলেন, জাতীয় রাজনীতি সব গুন্ডা, চাঁদাবাজদের দখলে। সামান্তা কৃষিকে মূল ধারায় নিয়ে আসার ওপর জোর দিয়ে বলেন, এনসিপি চায় একজন কৃষক যেন সংসদে যেতে পারে এবং নিজের অধিকারের কথা নিজেই বলতে পারে। তার মতে, কৃষিকে আধিপত্য থেকে মুক্ত করতে পারলেই কৃষিবিপ্লব হবে।
এসপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- চলছে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তানের ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- পে স্কেল নিয়ে ৭ দাবি সরকারি কর্মচারীদের
- প্রথমবারের মতো নিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উপাচার্য পেলো কুবি
- শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণ ও আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগ
- ৫৪ জেলায় টিসিবির ডিলার নিয়োগ, আবেদন শুরু ১০ মে
- পে স্কেলের প্রস্তাবিত গ্রেডভিত্তিক বেতন কাঠামো প্রকাশ
- ঢাবিতে প্রথমবারের মতো আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি কর্মশালা
- ঢাবির নতুন প্রক্টর অধ্যাপক ইসরাফিল
- রবির মুনাফায় আকাশচুম্বী প্রবৃদ্ধি, ব্যাকফুটে শিপিং কর্পোরেশন
- বাংলাদেশিদের স্কলারশিপ দেবে যুক্তরাষ্ট্রের সিমন্স ইউনিভার্সিটি, আবেদন শুরু
- ঈদকে সামনে রেখে মুনাফা তুলছেন বিনিয়োগকারীরা
- আজ সন্ধ্যায় সাদিক কায়েমের বিয়ে
- পদত্যাগ করলেন ঢাবি শিক্ষক মোনামি
- এমপিও শিক্ষকদের ঈদ বোনাস কবে, যা জানা গেল
- লাইফ সাপোর্টে অভিনেত্রী কারিনা কায়সার