ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩
বাংলাদেশি পণ্য আমদানি
জানা গেল ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণ
ডুয়া ডেস্ক: ভারত বাংলাদেশ থেকে স্থলবন্দর মাধ্যমে পণ্য আমদানিতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। গত শনিবার (১৭ মে) দেশটি জানায়, তাদের স্থলবন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ থাকবে।
নির্দেশনার অধীনে, বাংলাদেশি তৈরি পোশাক আমদানি করতে চাইলে ভারতীয় আমদানিকারকদের কলকাতা ও মহারাষ্ট্রের নাভা শেভা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে হবে।
ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৪২ শতাংশ পণ্যের ওপর প্রভাব পড়বে, যা প্রায় ৭৭০ মিলিয়ন ডলারের সমমূল্য। বাণিজ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই) এই তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, ‘বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতীয় রপ্তানির ওপর ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য বাধা এবং চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে চাওয়ায় এমনটি করেছে ভারত।’
এছাড়াও সাম্প্রতিক চীন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার করা মন্তব্যকে ভালোভাবে নেয়নি নয়াদিল্লি। গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ (জিটিআরআই) বলেছে, গতকালের ভারতের এই সিদ্ধান্ত সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়াও বটে।
ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, ‘২০২৪ সালের শেষভাগ থেকে বাংলাদেশ ভারতীয় রপ্তানির ওপর একের পর এক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে এপ্রিল ২০২৫ থেকে প্রধান স্থলবন্দরগুলোর মাধ্যমে ভারতীয় সুতা আমদানি নিষিদ্ধকরণ, চাল আমদানির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং কাগজ, তামাক, মাছ ও গুঁড়ো দুধ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার মতো বিষয়গুলো।’
এছাড়া, বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রতি টন ভারতীয় পণ্যের জন্য কিলোমিটার প্রতি ১.৮ টাকা হারে ট্রানজিট ফি ধার্য করেছে ঢাকা। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের শর্তাবলী কেবল নিজেদের সুবিধার জন্য বেছে নিতে পারে না বলে জানান দেশটির এক কর্মকর্তা। ভারতের গণমাধ্যমগুলো বলছে, ‘বিশেষ করে বাংলাদেশের বিধিনিষেধের কারণে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যে ব্যাপক প্রভাব পড়েছ।’
এমন পরিস্থিতিতে ভারতের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরামের শুল্ক স্টেশনগুলো এবং পশ্চিমবঙ্গের চ্যাংড়াবান্ধা ও ফুলবাড়ি শুল্ক পয়েন্টের মাধ্যমে ফল, স্বাদযুক্ত পানীয়, কার্বনেটেড পানীয়, প্রক্রিয়াজাত খাবার, তুলার বর্জ্য, প্লাস্টিক পণ্য (নির্দিষ্ট উপকরণ ব্যতীত) এবং কাঠের আসবাবপত্র আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সূত্র: ইকোনমিক টাইমস
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের ২য় ম্যাচ: খেলাটি সরাসরি দেখুন (LIVE)
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের খেলা চলছে: ব্যাটিংয়ে টাইগাররা-দেখুন সরাসরি
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের রোমাঞ্চকর খেলাটি শেষ-দেখুন ফলাফল
- সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট
- ফের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
- শীর্ষ ১০ ইহুদিবিদ্বেষী প্রভাবশালীদের তালিকা প্রকাশ করল ইসরাইল
- সময় কমিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সিদ্ধান্ত
- সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর
- রেকর্ড মুনাফা করে ডিভিডেন্ডে চমক দেখাল ইস্টার্ন ব্যাংক
- কপার টি: নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি
- এক মাসেও অফিস মেলেনি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্যের
- ঢাবির ক্ষণিকা বাস দু/র্ঘটনায় আ/হত ৮ শিক্ষার্থী
- ৮,০০০ টাকা করে বৃত্তি দেবে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন
- আগামীকাল বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৬, শেষ মুহূর্তের সেরা ১০ পরামর্শ