ঢাকা, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
প্রায় ২৮ ঘণ্টা অনশনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ শিক্ষার্থী
ডুয়া নিউজ: মূল ক্যাম্পাসে ফেরার দাবিতে প্রায় ২৮ ঘণ্টা ধরে অনশন করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলা ইনস্টিটিউটের ৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে দু’জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাদের স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তারা।
মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে কাঁথা-বালিশ বিছিয়ে অনশন করছেন। অসুস্থ হওয়া একজন পুরুষ ও একজন মহিলা শিক্ষার্থীকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বেলা ৩টা থেকে অনশন শুরু হয়েছে, ২৮ ঘণ্টা পার হতে চললেও অনশন ভাঙেননি শিক্ষার্থীরা। ৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন ছেলে ও চারজন মেয়ে।
অনশনরতা হলেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের ২০২১-২২ সেশনের শিক্ষার্থী মো. শাহরিয়ার হাসান সোহেল, ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী খন্দকার মাসরুল আল ফাহিম, ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী নূর ইকবাল সানি, ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান ইয়ামিন, একই সেশনের শিক্ষার্থী মালিহা চৌধুরী, ইসরাত জাহান, নুসরাত জাহান ইপা, ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম মাহী ও একই সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম মিনহাজ। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থী এবং কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরাও সংহতি প্রকাশ করেছেন।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত বছরের ডিসেম্বরে জানানো হয়েছিল যে এ বছরের ৩১ মার্চের মধ্যেই এই স্থানান্তর সম্পন্ন করা হবে। সে সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও এখনো তেমন কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ লক্ষ্য করা যায়নি। প্রশাসনের দেওয়া সময় পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই। আমরা বারবার আশ্বাস পাচ্ছি, কিন্তু কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।”
জানতে চাইলে অনশনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা ২৬ ঘণ্টা ধরে অনশনে আছি। প্রশাসনের অনেকেই আমাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করছেন। আমাদের দাবি হলো একটা যৌক্তিক সমাধানের মাধ্যমে চারুকলা ইন্সটিটিউটকে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে আনা হয়। এখনও কেন এই কাজে বিলম্ব হচ্ছে এটা আমাদের প্রশ্ন। এর আগে আমরা দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে ফেরার আন্দোলন করেছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রশাসন আমাদের আশ্বাস দিলেও চারুকলা ক্যাম্পাসের আলোর মুখ দেখছে না। এখানে আমাদের চারুকলার যেসব শিক্ষক রয়েছেন, তারাই মূলত বাঁধা প্রদান করছেন। তারা সহযোগিতা না করায় আমরা ক্যাম্পাসে ফিরতে পারছি না।”
দ্রুত সময়ের মধ্যে চারুকলাকে ক্যাম্পাসে দেখতে চাই। আমরা মরে গেলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন কর্মসূচি চলবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার অত্যধিক খরচ, চারুকলার ভবনগুলোর বেহাল দশা এবং অন্যান্য সুবিধার অভাবে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসে ফিরতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে আন্দোলনের পর প্রশাসন ১ এপ্রিল থেকে ক্যাম্পাসে ক্লাস করার আশ্বাস দিলেও তা কার্যকর না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা অনশন শুরু করেছেন।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- বিআইডব্লিউটিসির নতুন চেয়ারম্যান এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রো-ভিসি হলেন অধ্যাপক ড. সালমা বেগম
- ইউজিসির তিন সদস্যকে অব্যাহতি দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- শেয়ারবাজারে আস্থা ফেরাতে ১১ দফা দাবি বিনিয়োগকারীদের
- অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ৫০ হাজার টাকা অনুদান, আবেদন যেভাবে
- বিআইডব্লিউটিসি'র চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করলেন এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী
- বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক
- ঢাবির লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে ২৪ শিক্ষার্থী পেলেন ডিরেক্টরস অ্যাওয়ার্ড
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ জুলাই)
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৪ জুলাই)
- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত ১২ কর্মকর্তা
- ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
- গাজী নজরুলকে বিয়েতে অনড় ছিল মেয়েটি
- আজকের খেলার সময়সূচি (২৫ জুলাই)
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা