ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
যা বলছে বেসরকারি জরিপ
এখন নির্বাচন হলে কোন দল কতো শতাংশ ভোট পাবে?
ডুয়া নিউজ : বর্তমানে দেশে প্রধান আলোচনার বিষয়ের একটি হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই নির্বাচনের কথা বলে আসছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও বলেছেন অল্প সংস্কার চাইলে চলতি বছরের ডিসেম্বরে এবং বেশি সংস্কার চাইলে আগামী বছরের জুনের দিকে নির্বাচন হতে পারে।
এদিকে দেশে এই মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে কোন রাজনৈতিক দল কত ভোট পাবে, এমন পরিসংখ্যান উঠে এসেছে বেসরকারি এক জরিপে। তাতে দেখা গেছে, বিএনপি সর্বোচ্চ ৪১.৭ শতাংশ ভোট পাবে।
এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জামায়াত ইসলামী। তারা ৩১.৬ শতাংশ ভোট পাবে বলে জরিপে উঠে এসেছে। তবে এক্ষেত্রে ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। মাত্র ৫.১ শতাংশই নতুন রাজনৈতিক দলকে ভোট দিতে চান।
শনিবার (৮ মার্চ) প্রকাশিত উন্নয়ন গবেষণা ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সংস্থা ইনোভিশন কনসাল্টিং বাংলাদেশ পরিচালিত জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
চলতি বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত 'জনগণের নির্বাচন ভাবনা' শীর্ষক একটি জরিপ চালানো হয়। এতে সারাদেশের ১০ হাজার ৬৯৬ জন অংশগ্রহণ করেন।
জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ ১৩.৯ শতাংশ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২.৬ শতাংশ, জাতীয় পার্টি ১ শতাংশ, গণ অধিকার পরিষদ ০.৫ শতাংশ, গণ সংগতি আন্দোলন ০.২ শতাংশ এবং অন্যান্য দলগুলি ৩.৩ শতাংশ ভোট পেতে পারে।
ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রুবাইয়াৎ সরওয়ার জরিপের বিস্তারিত ফলাফল তুলে ধরেন। এতে বলা হয়, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬২ শতাংশ ভোটার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা কাকে ভোট দেবেন এবং ২৯.৪ শতাংশ এখনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। এছাড়া ৮.৬ শতাংশ ভোটার জরিপে মন্তব্য প্রদান করেননি।
জরিপে দেখা যায়, দেশের ৩১.৬ শতাংশ ভোটার চলতি বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন চাইছেন এবং ২৬.৫ শতাংশ ভোটার চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চান।
এছাড়া ২০২৬ সালের জুনে ৭.৯ শতাংশ, ডিসেম্বরে ৬.৬ শতাংশ এবং ২০২৬ সালের ডিসেম্বারের পর ১০.৯ শতাংশ ভোটার নির্বাচনের পক্ষে। তবে ১৬.৪ শতাংশ ভোটার এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
অন্যদিকে, জরিপে দেখা গেছে, ১৩ শতাংশ ভোটার রাজনৈতিক সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন এবং ৯ শতাংশ ভোটার সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে। ভোটারদের প্রত্যাশা অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণ সূচকগুলোর দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত এবং সংস্কার কর্মসূচির বিষয়ে তুলনামূলকভাবে তাদের আগ্রহ কম।
ইনোভিশন কনসাল্টিং একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন গবেষণা এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনা সংস্থা। এই সংস্থাটি গত ১৬ বছর ধরে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য কাজ করে আসছে। এছাড়া সামাজিক এবং বাজার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়েও তারা গবেষণা পরিচালনা করে। ইনোভিশন কনসাল্টিং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নেও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- না ফেরার দেশে চলে গেলেন জেমস
- স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ পোস্ট বেসিক গ্রাজুয়েট নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি স্টুডেন্ট কাউন্সিলের স্মারকলিপি
- পাভেলকে ঘিরে ফের ভাইরাল পাঁচ মিনিটের ভিডিও
- শুধু আইফোনের জন্য নয়, অপ্রতীম হ/ত্যার পেছনে ছিল বিরোধও
- রাস্তার পাশে গাড়ি পার্কিং না করার আহ্বান পরিবহন মালিক সমিতির
- শতবর্ষী ৮০৮ স্কুল-কলেজের তালিকা করল মাউশি
- নতুন পে স্কেলে কোন গ্রেডে কত বেতন, দেখুন এখানে
- সিগারেট নিয়ে নতুন বিধান জারি
- মিছিলের প্রস্তুতিকালে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ১৮ কর্মী আটক
- অপ্রতিম হ/ত্যার রহস্যময় তথ্য উন্মোচন করেছে পুলিশ
- ঢাবিতে ৮ম কুইজ ফেস্ট ও ফ্রেশার্স রিসেপশন অনুষ্ঠিত
- আত্মহ/ত্যার আগে যা লিখেছিলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী
- নতুন পে স্কেলের বাইরে থাকছেন যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী
- ঢাবির ৬৪ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি
- আবারও লংমার্চের ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের