×

ঢাকা, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এলপিজির সরবরাহ কমেছে, সিলিন্ডারে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৮ ১৫:০৬:০৫

এলপিজির সরবরাহ কমেছে, সিলিন্ডারে বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ায় দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এক মাসে আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ কমে যাওয়ায় বাজারে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত দামের তুলনায় সিলিন্ডারপ্রতি অতিরিক্ত চার থেকে পাঁচশো টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) চলতি মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করে। তবে বাজারে একই সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাদের ২ হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দাম ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত উঠছে।

বিইআরসি ও আমদানিকারকদের তথ্য বলছে, আগস্টে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে সেই পরিমাণ কমে ১ লাখ ২০ হাজার টনে নেমেছে। অর্থাৎ এক মাসে আমদানি কমেছে প্রায় ৪০ হাজার টন।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রভাবে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর ফলে পর্যাপ্ত কার্গো বা জাহাজ পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি বেড়েছে পরিবহন ব্যয়ও।

বাংলাদেশে আমদানি করা এলপিজির বড় একটি অংশ আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকার পরও অনেক আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) তথ্য অনুযায়ী, আগে প্রতি টন কার্গোর প্রিমিয়াম ছিল ১৬০ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আমদানিকারকদের দাবি, বিশ্ববাজারের বাড়তি ব্যয় ও কার্গো প্রিমিয়ামের এই চাপ বিইআরসির নির্ধারিত দামে পুরোপুরি প্রতিফলিত না হওয়ায় তাঁদের লোকসান হচ্ছে। এ কারণে অনেক আমদানিকারক এলপিজি আমদানির পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জাহাজ নির্ধারিত সময়ে বন্দরে পৌঁছাতে না পারায় সেপ্টেম্বরে এলপিজির ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় দ্রুত আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

ইএইচপি

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত