×

ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জিয়া পরিবার সবচেয়ে বেশি অত্যাচার ও নিপীড়নের শিকার: শিক্ষামন্ত্রী

২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৩ ১৫:৫৪:৪২

জিয়া পরিবার সবচেয়ে বেশি অত্যাচার ও নিপীড়নের শিকার: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: জিয়া পরিবারই সবচেয়ে বেশি অত্যাচার ও নিপীড়নের শিকার বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এমজিআই-এমএএ বৃত্তি-২০২৬ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব মার্কেটিংয়ের সভাপতি, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, অ্যালামনাই সদস্য এবং মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ব্যারিস্টার তাসনিম মোস্তফাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি ভাগ্য বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। আমাদের দেশমাতা খালেদা জিয়া তিনি আরও বেশি হয়েছেন। সবচেয়ে হায়েস্ট অত্যাচারিত, নিপীড়িত ফ্যামিলি হচ্ছে জিয়া ফ্যামিলি। আর আমার প্রমোটরকে আমরা হারিয়েছি, আমাদের প্রেসিডেন্টকে হারিয়েছি।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে এবং নিজেদের মেধা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। ক্যারিয়ারে থেমে না থেকে পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

নিজের শিক্ষাজীবন ও পেশাগত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, তিনি রসায়ন বিষয়ে পড়াশোনা করার পর এমবিএ করেছেন এবং কর্মজীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করেছেন। শিক্ষার্থীদেরও জ্ঞান ও দক্ষতার পরিধি বহুমুখী করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশের অন্যতম বড় শক্তি তরুণ জনগোষ্ঠী উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করা সম্ভব হলে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বড় পরিবর্তন আনা যাবে। এ কারণে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে কার্যকর সম্পর্ক তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চীনের বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার সরাসরি সংযোগ রয়েছে। সেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দেন এবং শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। বাংলাদেশেও এ ধরনের সংযোগ গড়ে তোলা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের জন্য এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ায় মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) প্রশংসা করেন শিক্ষামন্ত্রী। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মেধা মেধাই।’ শিক্ষার্থীদের নিজেদের পছন্দ ও দক্ষতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করে সেখানে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। শুধু একটি বিষয়ে পড়াশোনা করলেই সারাজীবন একই ক্ষেত্রে থাকতে হবে এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্ঞান ও দক্ষতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সেরা দেশগুলোর একটি হতে পারি। আমাদের মেধা অন্য কোনো দেশের মানুষের চেয়ে কম নয়।’ নিজেদের সক্ষমতার ওপর আস্থা রেখে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য তরুণদের প্রতি আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ইমামুল

পাঠকের মতামত:

ডুয়ার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গে থাকতে SUBSCRIBE করুন

সর্বোচ্চ পঠিত