ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩
সংসদের প্রথম দিনেই বিরোধী দলের ওয়াকআউট
নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনেই ওয়াকআউট করেছেন বিরোধীদলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা। বেসরকারি দিবসে সরকারি বিল উত্থাপন, সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে তারা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।
রাত ৮টা ৭ মিনিটে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের সদস্যরা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান।
বৃহস্পতিবার ছিল সংসদের বেসরকারি দিবস। এদিন তিনটি সরকারি বিল উত্থাপনের কার্যক্রম শুরু হলে সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনদুর্ভোগের বিষয় তুলে ধরেন। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বিল উত্থাপন, সংবিধান সংশোধন ও সংস্কার ইস্যুতে আপত্তি জানিয়ে তিনি ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, তাদের ধারণা ছিল বেসরকারি দিবসটি বেসরকারি সদস্যদের জন্য। কিন্তু সংসদের কার্যক্রম একতরফা ও একপেশেভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ধরনের বিলে অংশ না নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এমন কার্যক্রমের মাধ্যমে সংস্কারের মূল দাবিকে আড়াল করা হবে। তারা এর পক্ষে নন।
তিনি বলেন, তারা সংস্কারের মূল দাবির পক্ষে দৃঢ় ও স্পষ্ট অবস্থানে রয়েছেন। এ অবস্থান থেকে তারা আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিকভাবে সরে যাননি।
সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংসদের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন সময় তাদের ওই কমিটিতে অংশ নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। একটি কমিটি সংসদে পাস হয়েছে, তবে এতে তাদের প্রতিবাদ ছিল এবং তারা এতে অংশ নেননি।
তিনি আরও বলেন, পরে তারা প্রশ্ন তুলেছিলেন—‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’ নামে কোনো কমিটি গঠনের বিধান নেই। তখন তাদের জানানো হয়, এর আগে একটি বিশেষ শব্দ যুক্ত করা হয়েছে। সেই বিশেষ শব্দসহ বিষয়টি সংসদে পাস হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, কোনো কমিটি যদি সংসদ থেকে পাস করানো হয়, তাহলে এর প্রতিটি বিষয়ও সংসদ থেকেই পাস হতে হবে। কিন্তু তা করা হয়নি। তার মতে, মূল বিষয় শুধু এটি নয়; বরং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।
স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সংসদে যে বিষয়টি উত্থাপন করা হচ্ছে, তাতে তারা অংশ নিতে চান না। বৃহত্তর স্বার্থে তারা পূর্ণাঙ্গ সংস্কার এবং গণভোট বাস্তবায়ন চান। এ কারণে তারা এ প্রক্রিয়ার অংশ হতে রাজি নন।
এরপর সংসদ অধিবেশনের ওই পর্বে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জানান, তারা আপাতত সংসদ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। উপযুক্ত মনে করলে আবার সংসদে ফিরে এসে অংশ নেবেন এবং জনগণের পক্ষে কথা বলবেন। এরপরই জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করেন।
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৩ আগস্ট)
- খণ্ডকালীন শিক্ষক নেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জানুন আবেদনপদ্ধতি
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২৫ আগস্ট) r
- শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট-দোকানপাট বন্ধ
- মেয়েরা বাস কেন চালাতে পারবে না: বর্ষা
- জাপানের MEXT স্কলারশিপ পেলেন ১৬৬ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২১ আগস্ট)
- ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির দাবি
- এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ নিয়ে যা জানা গেল
- রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- জামায়াতের ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন, প্রধানমন্ত্রী ডা. শফিকুর রহমান
- চার পদে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে নিয়োগ
- স্বাস্থ্য খাতে এক লাখ কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
- বাংলাদেশ স্কাউটসে নবম গ্রেডে চাকরির সুযোগ
- মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ