ঢাকা, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনার পরিবারের অবদান নেই: রিজভী
নিজস্ব প্রতিবেদক: কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে কোনো অবদান নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ হাসিনার পরিবার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
আজ বুধবার সকালে বনানী কবরস্থানে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক, জিয়াউর রহমান এ দেশের বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সন্তানসহ বন্দি সেই সময়, তিনিও একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের এই পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ করেননি। কারণ মুক্তিযুদ্ধে তাঁর পরিবারের অবদান নেই। না তাঁর পিতার, না তাঁর নিজের। তারা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়ে-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছে। এই কারণেই প্রতিহিংসা, কেন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করল।’
বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কোনোদিনই বরদাশত করতে পারেননি বলেও মনে করেন রিজভী।
তিনি বলেন, ‘তাই একের পর এক যন্ত্রণা দিয়েছে। তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শারীরিকভাবে অত্যাচার করেছে। আজকে কি হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। আজকে সেই তারেক রহমান শহীদ জিয়া এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মরহুমা তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র আজ প্রধানমন্ত্রী। অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী।’
বর্তমানে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল ‘একাত্তরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে’ বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকে আমি হাসিনার কথা বললাম। কিন্তু আজকে প্রকারান্তরে একাত্তরকে ছোট করার জন্য, একাত্তরকে ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার জন্য বর্তমানে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এবং এই একাত্তর, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যে নামটি অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, স্বাধীনতার ঘোষক; তাঁকে মুছে ফেলার একটা খুব গভীর চক্রান্তের প্রচেষ্টা চলছে।’
সেসব ‘চক্রান্তকারীদের’ উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘কাকে খুশি করতে চাচ্ছেন? নিশ্চয়ই পলাতক ফ্যাসিস্টকে খুশি করার জন্যই কি আপনারা এই কাজগুলো করছেন? এই প্রশ্ন তো আজকে জনগণের। এ প্রশ্ন আজকে মানুষের মুখে মুখে। একটি চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন সাতচল্লিশ থেকে শুরু করে জুলাই পর্যন্ত। সেখানে শেখ মুজিবের সাতই মার্চের ভাষণ আছে, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘তাদেরই ছাত্র সংগঠনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সেখানে দেখানো হচ্ছে যে, একাত্তর হালকা। দাঁড়িপাল্লা দিয়ে একাত্তরের পাল্লাটা উপরের দিকে চলে যায় আর জুলাইকে নিচের দিকে নিয়ে আসা হয়। এগুলো হচ্ছে ছোটলোকি, কারণ আপনাদের প্রতিটি মুহূর্তে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের ক্ষেত্রে আপনারা জনগণের সঙ্গে শত্রুতা করেছেন।’
ইএইচপি
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স শেষপর্বের ফল প্রকাশ
- মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের জুলাইয়ের বেতন ফাইল চূড়ান্ত
- এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন করবেন যেভাবে
- মালয়েশিয়াকে ৮৯ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৯ আগস্ট)
- দাখিল ও কারিগরি বোর্ডের ফল দেখবেন যেভাবে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (১০ আগস্ট)
- পরীক্ষায় ফেল বা খারাপ করার পর শিক্ষার্থীদের করণীয় কী
- একাদশে ভর্তি: আবেদন ও প্রক্রিয়া জানুন
- ১৯তম নিবন্ধন থেকে শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ করবে না এনটিআরসিএ
- পিএসসিতে আরও চার সদস্য নিয়োগ
- পাঁচ দপ্তরে নতুন সচিব নিয়োগ দিল সরকার
- এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণ নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
- যেভাবে সহজে অনলাইনে দেখবেন এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (৬ আগস্ট)