ঢাকা, মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩
শেখ হাসিনাকে আনতে সব উদ্যোগ চলমান: তথ্য উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সব ধরনের আইনি ও কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর একজন আসামি হিসেবে তিনি আইনগতভাবে প্রাপ্য সব অধিকার ভোগ করবেন এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় সরকার মেনে নেবে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক দেশে ফেরার ঘোষণার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতেই চায়। এ লক্ষ্যে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বর্তমানে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। এরপর তিনি আইনজীবী নিয়োগ, আত্মপক্ষ সমর্থনসহ আইনে নির্ধারিত সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আদালত যে চূড়ান্ত রায় দেবেন, সরকার তা মেনে নেবে।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাস করে এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।
ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার কোনো ধরনের ভূরাজনৈতিক চাপ বা সংকটে নেই।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সফর করা এক মার্কিন কূটনীতিকের ভারত সফর এবং ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে নানা ব্যাখ্যা দেওয়া হলেও, এটিকে তিনি স্বাভাবিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, ওই কূটনীতিক ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বাংলাদেশ সফর করেছেন। তাই বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখার কোনো কারণ নেই।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, রাশিয়া ও ইরানসহ সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলছে। আগের সরকারের মতো ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য নয়, বরং জনগণের দেওয়া ম্যান্ডেট বাস্তবায়নেই সরকার কাজ করছে।
শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতেও তার বিভিন্ন আহ্বানের বাস্তব কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। এখনও কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী তাকে সমর্থন করতে পারেন কিংবা অতীতের সুবিধাভোগী হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় থাকতে পারেন। তবে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে সরকারকে চ্যালেঞ্জ দেওয়ার মতো নৈতিক বা সাংগঠনিক শক্তি তাদের নেই।
শেখ হাসিনার দেশত্যাগে সহযোগিতাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সে সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ মুহূর্তে কারা কীভাবে ওই ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তা নিয়ে তদন্তের কোনো উদ্যোগ সরকারের নেই।
নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, তাকে দেশে আনার জন্য সরকারের কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেই। তিনি দেশে ফিরতে চাইলে প্রচলিত আইন ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আবেদন করতে পারবেন। এরপর সরকার আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।
তসলিমা নাসরিন অতীতে যাদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন, সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তিনি দেশে ফিরে আদালতের আশ্রয় নিতে চাইলে আইন অনুযায়ী সেই সুযোগ পাবেন। ফৌজদারি অপরাধ তামাদি হয় না। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি চাইলে আদালতে মামলা করতে পারবেন।
প্রয়োজনে এ সংবাদের জন্য দেখাতে ৭ শব্দের শিরোনাম, দেখাতে বিকল্প শিরোনাম এবং দেখাতে SEO ট্যাগ।
ইমামুল
পাঠকের মতামত:
সর্বোচ্চ পঠিত
- পর্নো তারকা থেকে কলম্বিয়ার সিনেটর দেইসি
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির সুযোগ, আবেদন ২০ আগস্ট পর্যন্ত
- ঢাবিতে ৩ শিক্ষক বরখাস্ত, ৪ জনের দায়িত্ব স্থগিত
- সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও করলেন ডাকসু নেতারা
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দাম (২ আগস্ট)
- চেয়ারম্যান-মেম্বার পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে যা জানা গেল
- সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন দুই কর্মকর্তা
- বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, মিলবে দৈনিক ২০০ টাকা ভাতা
- ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ
- আজই নিষিদ্ধ হতে পারে ঢাবির নীল দল
- ঢাবির সূর্যসেন হলে সমকামিতার অভিযোগে দুইজন আটক
- বিকাশে মিলবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া ভাতা
- জুলাই আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে: ঢাবি প্রো-ভিসি
- তৃতীয় লিঙ্গদের হেনস্তার শিকার ডাকসু নেতা জুবায়ের
- ‘গুলশানের চামেলি’ তে যৌনকর্মীর দালাল অ্যাডলফ খান